নিজের রাষ্ট্র-অখন্ডতা প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলছে ইউক্রেনই, বললেন পুতিন
নিজের রাষ্ট্র-অখন্ডতা প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলছে ইউক্রেনই, বললেন পুতিন
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ নেওয়া হোক কিংবা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সৈন্যদল গঠনের প্রক্রিয়া। ইউক্রেনের পরপর পদক্ষেপে যে আরও চটছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷ এবার সরাসরি ইউক্রেনের অখন্ডতা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানালেন পুতিন৷ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের রাষ্ট্র ব্যবস্থা আক্রান্ত হলে তার দায় ইউক্রেনের নেতাদেরই নিতে হবে৷ পুতিন বলেন যে ইউক্রেনের নেতৃত্বকে তাদের কৃতকর্মের পরিণতি সম্পর্কে অবগত হতে হবে। বর্তমান (ইউক্রেনীয়) কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে তারা যা করছে তা আগামীদিনেও চালিয়ে গেলে ইউক্রেন রাষ্ট্রের ভবিষ্যতকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলবে৷

তবে এখানেই থামেননি পুতিন, তিনি আরও বলেছেন, পুতিন বলেছেন, এবং আগামীদিনে যদি ইউক্রেন আরও বড় সমস্যায় পড়ে তবে তারা দায় সম্পূর্ণভাবে দেশটির নেতাদের। দশদিন ধরে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ জারী রয়েছে। রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ইউক্রেনে শহরের পর শহর ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছে৷ ইউক্রেনবাসীকে মারধর করা, শয়ে শয়ে অসামরিক লোককে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে পালাতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতি কেবল বেড়েছে। কয়েকদিন আগে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলেছিল যে তারা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইকোলাইভ এবং উত্তরের চেরনিহিভের সীমানায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার জন্য রাশিয়ান সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছিল৷
অন্যদিকে ডোনেটস্ক অঞ্চলের পূর্ব অংশেও ইউক্রেনীয় বাহিনীর একটি অভিযান চলছে। মারিউপোল কর্মকর্তারা বলেছেন যে রবিবার দুপুর থেকে তারা ওই এলাকার অসামরিক জনসংখ্যাকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা শুরু করবে, এর আগে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। প্রসঙ্গত, আজভ সাগরের কৌশলগত শহর মারিউপোল কয়েকদিন ধরে অবরোধের মধ্যে রয়েছে এবং বিদ্যুৎ, খাদ্য এবং জল ছাড়াই, স্টপ-স্টার্ট যুদ্ধবিরতি রয়েছে৷
রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন হুমকির সুরে বলেছেন, রাশিয়ার উপর পশ্চিমের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আসলে যুদ্ধ ঘোষণার সামিল৷ ইতিমধ্যেই দু'বার আলোচনায় বসেছেন ইউক্রেন ও রাশিয়ার নেতারা৷ কিন্তু কোনও ফল বেরোয়নি৷ নিজের আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছেন পুতিন৷
তবে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য ডেভিড আরাখামিয়া জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তৃতীয় দফা আলোচনা সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। যদিও এই আলোচনা কোথায় হবে তা নিয়ে তিনি কোনও বিস্তারিত বিবরণ দেননি।












Click it and Unblock the Notifications