১৮৭ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ল ‘লেকিমা’, টাইফুনে তছনছ চিনের উপকূল
চিনের বুকে আছড়ে পড়েছে টাইফুন লেকিমা। তার জেরে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবং আহতের সংখ্যাও ৫০ ছাড়িয়েছে।
চিনের বুকে আছড়ে পড়েছে টাইফুন লেকিমা। তার জেরে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবং আহতের সংখ্যাও ৫০ ছাড়িয়েছে। ১৮৭ কিলোমিটার বেগে বিধ্বংসী এই ঝড় চারখার করে দিয়েছেন চিনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে। এই টাইফুনের জেরে বিধ্বস্ত ট্রেন ও বিমান পরিষেবা।
|
দিন তিনেক ধরে সমুদ্রের বুকে তাণ্ডব চালাচ্ছে লেকিমা। অবশেষে রবিবার আছড়ে পড়েছে চিনের বুকে। আগে থেকেই চিনের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। নেওয়া হয়েছিল সমস্তরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। তবুও প্রাণহানি এড়াতে পারা গেল না।
|
রবিবার টাইফুন লেকিমা আছড়ে পড়েছিল ঝেডিয়াং উপকূলে। তারপর ভূ-খণ্ডে ঢুকে তছনছ করে দেয় এলাকা। জরুরি পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এতটাই বেশি ছিল ঝড়ের প্রকোপ যে, মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হয়নি। অনেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।
|
এর আগে ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আছড়ে পড়ার সময় এই ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১৮৭ কিলোমিটার। এ বছর এই লেকিমা নিয়ে মোট নটি সাইক্লোন হল। তার জেরে চিনের একটা বড় অংশে প্রবল বৃষ্টি চলছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে ঝড়।
|
প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে একসঙ্গে দুটি টাইফুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একদিকে টাইফুন লেকিমা, অন্যদিকে টাইফুন কোরসা। সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করে ক্রমশ। এই সপ্তাহেই জাপানে আছড়ে পড়ার কথা ছিল লেকিমার। পরে দিক পরিবর্তন করে লেকিমা সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়। কোরসা শক্তি হারিয়ে ফেলে।












Click it and Unblock the Notifications