অস্ট্রেলিয়ার আরও দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ ভারতীয় ছাত্র! মোদীর সফরের পরেই বড় ধাক্কা?
ভিসা জালিয়াতির জেরে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি নিষিদ্ধ করল অস্ট্রেলিয়ার আরও দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভারতের কয়েকটি রাজ্য থেকে পড়ুয়াদের ভর্তি করার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের জন্যে যেদিন অস্ট্রেলিয়া যান সেদিনই সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবার্নিজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মাইগ্রেশন সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছে। গত বুধবার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মূলত ব্যবসার কাজে, পড়ুয়াদের আদান প্রদানের জন্য ওই চুক্তি করা হয়েছে।

পঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট, জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড, উত্তর প্রদেশের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই সব রাজ্যের পড়ুয়ারা অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার ফেডারেশন ইউনিভার্সিটি নিউ সাউথ ওয়েলসের ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটিকে পড়াশোনা করতে পারবেন না।
অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভারতীয় পড়ুয়াদের ভর্তি অনেক ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছে। গত ১০ বছরে সেই হার অনেকটাই বেড়়েছে। প্রতি ৪ জনের মধ্যে একজনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভিসা জালিয়াতির জেরে এই সিদ্ধান্ত নিতে গয় কর্তৃপক্ষকে। এই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সে দেশের স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে।
সাধারণত অন্য দেশের পড়ুয়ারা ভর্তি হন এডুকেশন এজেন্টদের মাধ্যমে। পড়ুয়াদের ভর্তি করার জন্য কলেজগুলি থেকে পড়ুয়া পিছু মোটা টাকা দেওয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সুত্রে জানা গিয়েছে, ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ২০ শতাংশের বেশি আবেদন বাতিল করে দিচ্ছে। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ১২ দশমিক পাঁচ শতাংশ। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে ২৪ শতাংশ আবেদনই খারিজ হয়ে যাচ্ছে। ২০১২ সালের পর থেকে এই হার সর্বাধিক।
ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ২০২২ সালে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া ভর্তি হলেও তারা পরে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিয়েছে। পঞ্জাব, হরিয়ানা ও গুজরাটের পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে এই হার সবথেকে বেশি। আপাতত ২ মাস এই নিষেধাজ্ঞা থাকছে। এর মধ্যে আরও বেশি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। তবেই আবার ভর্তি শুরু হয়েছে।

ইতিমধ্যেই আরও চারটি প্রতিষ্ঠানের তরফে ভর্তি নেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই সব রাজ্যগুলির পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ রয়েছে। আরও একবার একই সিদ্ধান্ত দুই প্রতিষ্ঠানের। তবে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর তাতে ভারতীয় ছাত্ররা সমস্যার মধ্যে পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এহেন সিদ্ধান্ত ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications