তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা,পরিণতি জানেন শি, তবে কেন সামরিক হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গে নীরব?জানুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। তাঁর দাবি, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চিন সামরিক পদক্ষেপ নিলে তার ফল যে কতটা গুরুতর হতে পারে, তা ভালোভাবেই জানে শি জিনপিং। তবে আমেরিকা সেই পরিস্থিতিতে সরাসরি সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবে কি না? সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি ট্রাম্প।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এশিয়া সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, "আমি আমার সব গোপন কথা প্রকাশ করতে পারি না। তবে তারা জানে, কী হতে পারে। প্রয়োজনে সবাই তা দেখবে।"

তাইওয়ান ইস্যু তাঁদের সাম্প্রতিক বৈঠকে উঠেইনি বলে জানান ট্রাম্প। "এটা আলোচনার বিষয়ই হয়নি। কারণ শি জানেন এর ফলাফল কী হতে পারে," এমনটাই মন্তব্য তাঁর।
ট্রাম্প আরও বলেন, "শি ও তাঁর প্রশাসন প্রকাশ্যেই বলেছে আমার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তারা এই ধরনের পদক্ষেপ নেবে না। কারণ তারা জানে, এর পরিণতি কতটা কঠিন হতে পারে।"
তবে গত কয়েক বছর ধরে চিন তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক চাপ বাড়িয়েছে। নিয়মিত যুদ্ধবিমান উড়ানো, সামুদ্রিক টহল, বৃহৎ আকারের সামরিক মহড়া, এসবের ফলে তাইওয়ান প্রণালীতে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে তাইওয়ানে সম্ভাব্য আক্রমণের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শি জিনপিং।
তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দেখে যুক্তরাষ্ট্র, যদিও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। অন্যদিকে, চিনের দাবি তাইওয়ান চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই অবস্থানগত দ্বন্দ্বেই ভূ রাজনীতির সবচেয়ে সংবেদনশীল উত্তপ্ত এলাকা হয়ে উঠেছে তাইওয়ান প্রণালী।
তবে তাইওয়ান ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও, তবে বক্তব্যের আড়ালে বড় কূটনীতি চলছে। ইঙ্গিত মিলেছে সামনে বড় ভূ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সম্ভাবনা রয়েছে ।












Click it and Unblock the Notifications