শান্তির জন্য কাজ করতে রাজি জেলেনস্কি, পুতিন-ট্রাম্প আলোচনার পরই আমেরিকা যাচ্ছেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গঠনমূলক সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছেন। ট্রাম্পের আমন্ত্রণে তিনি ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন বলেও জানা গিয়েছে।
আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে আলাস্কায় অনুষ্ঠিত বৈঠকটিকে ইউক্রেন সঙ্কট সমাধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে, বৈঠকটি ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির কোনও চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়, যা অনেকেই হতাশাজনক বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে বৈঠকের পর যদিও ট্রাম্প ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

এদিন বৈঠকের পর ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক ঘণ্টা ধরে ফোনে কথা বলেন। ট্রাম্প জেলেনস্কিকে জানান যে পুতিন যুদ্ধবিরতির চেয়ে একটি ব্যাপক শান্তি চুক্তি করতে বেশি আগ্রহী। এই শান্তি চুক্তির উদ্দেশ্য হতে পারে দীর্ঘস্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
ট্রাম্পের কাছ থেকে এই বার্তা পাওয়ার পর জেলেনস্কি জানান, তিনি "গঠনমূলক সহযোগিতার" জন্য প্রস্তুত। এর অর্থ হল, ইউক্রেন এই সঙ্কট সমাধানে কূটনৈতিক পথে এগোতে রাজি। জেলেনস্কি ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ওয়াশিংটনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এটি এই বছর তাদের দ্বিতীয় সাক্ষাৎ হবে। এর আগে ফেব্রুয়ারিতেও তারা সাক্ষাৎ করেছিলেন। জেলেনস্কি তাদের কথোপকথনের পর ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তার গ্যারান্টি নিয়ে আলোচনায় কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।
ওয়াশিংটন সফরটি জেলেনস্কির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। এই সফরের মাধ্যমে তিনি সরাসরি ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেনের অবস্থান তুলে ধরতে পারবেন এবং পুতিনের প্রস্তাবিত "ব্যাপক শান্তি চুক্তি" নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায় যে, যদিও ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনও ফল পাওয়া যায়নি, ইউক্রেন এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে একটি সমাধান খুঁজে পেতে ইচ্ছুক।












Click it and Unblock the Notifications