কিমের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে এই রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প
শুক্রবারই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈঠকের তারিখ ও জায়গা পাকা হয়েছে। শিগগিরই তা ঘোষণা করা হবে। আগামী ২২-এ মে হোয়াইট হাউসে হবে বৈঠক
শুক্রবারই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈঠকের তারিখ ও জায়গা পাকা হয়েছে। শিগগিরই তা ঘোষণা করা হবে। কিন্তু তার আগে আগামী ২২-এ মে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন-জে-ইন'এর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানানো হল হোয়াইট হাউস থেকে।

সিওলের দক্ষিণ কোরিয় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ও মুন-ট্রাম্পের বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানানো হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সম্মেলন যাতে সফল হয়, তারজন্যই দুই রাষ্ট্রপতির মধ্যে আলোচনা হবে। বলা হয়, মুন এবং ট্রাম্প ২৭ এপ্রিলের আন্তঃ কোরিয় শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করবেন, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সম্মেলনের সাফল্যের পথ খোজা হবে।
ঐতিহাসিক কোরিয় বৈঠকের একদিন পরই মুন ও ট্রাম্পের ফোনে কথোপকথন হয়। সে সময় তাঁরা পরমাণুনিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করেছিলেন।
গত সপ্তাহে দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী অসামরিক অঞ্চল (ডিমিলিটারাইজড জোন)-এর গ্রাম পানমুনজমে দুই কোরিয়ার ঐতিহাসিক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতাই সীমান্তের কার্যকলাপ বন্ধ রাখতে সম্মত হন। একটি লিয়াজোঁ অফিস স্থাপন করা হয়। কোরিয় যুদ্ধের কারণে যে পরিবারগুলি আলাদা হয়ে গিয়েছে তাদের পুনর্মিলনে কাজ শুরু করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, কোরিয় উপদ্বীপ সম্পূর্ণ পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত করতে সম্মত হন দুই নেতাই। তবে কবে সেই কাজ হবে তার কোনও নির্দিষ্ট সময় ঘোষণা করা হয়নি।
আসন্ন বৈঠকটি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তৃতীয়বার বৈঠকে বসবেন মুন ও ট্রাম্প। শেষ এই সাক্ষাত হয়েছিল কিম ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় সম্মতি জানানোর পর। তারপর কিমের সঙ্গে মুনের বৈঠক ঘটে গেছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব সারা স্যান্ডার্স বলেন, 'দুই নেতার মধ্যে এই তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ায় জোটের শক্তি এবং দুই দেশের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।'












Click it and Unblock the Notifications