Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

‘মুক্তি দিবসে’ আমদানি শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের, ৩৪ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়ে কড়া জবাব চিনের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) শুল্ক-বদলা নীতির উপর চিনের পাল্টা জবাব। ট্রাম্প বেশ কয়েকটি দেশের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপ করেন। ঐদিন চিনের ওপরও ৩৪ শতাংশ কর চাপানোর ঘোষণা করেছিলেন। যা বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে তিক্ত বাণিজ্য যুদ্ধকে আরও তীব্র করে তোলে। যা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছিল বেজিং (Beijing)।

এরপর ৪৮ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই শুল্ক যুদ্ধের আগুনে ঘি ঢেলে দিল চিন। আমেরিকার পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ। শুক্রবার বেজিংয়ের বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, তারা মার্কিন পণ্যের উপর অতিরিক্ত ৩৪ শতাংশ মাশুল বৃদ্ধি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে ক্রমে বেলাগাম বাণিজ্য সংঘাতের জেরে সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

donald trump

সম্প্রতি, ট্রাম সমস্ত দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ কয়েক ডজন নির্দিষ্ট দেশ থেকে আমদানির উপর অনেক বেশি শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ট্রাম্পের "লিবারেশন আর্মি" পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী বাজারের ধাক্কা খেয়েছে, কারণ বৃহস্পতিবার এসএন্ডপি ৫০০ ৪.৮ শতাংশ কমেছে, যা ২০২০ সালের পর থেকে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। গত মাসে চীনের উপর আরোপিত ২০ শতাংশ হারের উপর অতিরিক্ত ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।

এদিকে মার্কিন কর ঘোষণার পরই রপ্তানির উপর নতুন শুল্কের দৃঢ় বিরোধিতা করে এবং নিজস্ব অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার্থে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেয় চিন। চিন জানিয়েছে, তারা একতরফা মার্কিন নীতির বিরোধিতা করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (WTO) মামলা করেছে। বেজিংয়ের বাণিজ্য মন্ত্রক বলে, মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে ডব্লুটিও-তে একটি বোঝাপড়া চায় তারা। আর সেই কারণেই এই মামলা করা হয়েছে।

শুল্ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ম মেনে চলেনা। তবে বেইজিং ৭ টি বিরল আর্থ-উপাদনের উপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, তালিকায় রয়েছে গ্যাডোনিলিয়াম। এটি সাধারণত এমআরআই-তে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি ইট্রিয়াম, যা ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও স্ক্যানডিয়াম এবং ওয়াটিরিয়ামের মত কিছু অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য খনিজ।

তবে এর আগে চিন মার্কিন শুল্কের প্রতিক্রিয়ায় বিভিন্ন মার্কিন কৃষি পণ্যের উপর ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল। "অবিলম্বে এই শুল্ক বাতিল করতে হবে আমেরিকাকে। না হলে বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিপন্ন হবে। এইভাবে বাণিজ্যযুদ্ধে কেউ জয়ী হতে পারে না। এর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।"- চিনের তরফে জানানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চীনের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য যার মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, টেক্সটাইল এবং পোশাক। শুল্কের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই সমস্ত সামগ্রীর।

শুক্রবার আমদানি করা সমস্ত মার্কিন পণ্যের উপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে চিন। এখানেই শেষ নয়, ১৬টি মার্কিন সংস্থাকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। যাদের উপর কার্যত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা জারি করার সম্ভাবনা রয়েছে চিনের পক্ষ থেকে। ফলে বিপদে পড়বে আমেরিকার বহু ব্যবসায়ী। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়বে মার্কিন অর্থনীতিতেও।

তবে বেশ কিছু অর্থনীতিবিদদের মতে, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চিন থেকে মার্কিন আমদানিতে ভোগ্যপণ্যের পরিবর্তে মূলধনী পণ্য এবং শিল্প উপকরণের প্রাধান্য রয়েছে। এই শুল্ক মার্কিন নির্মাতাদের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও ক্ষতি করবে। তবে কমিউনিস্ট দেশটি এই সিদ্ধান্তে হোয়াইট হাউস কী প্রতিক্রিয়া দেয়, সেটাই এখন দেখার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+