Donald Trump: বিদেশি যানবাহন আমদানিতে ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপাল আমেরিকা, চিন নিয়ে সুর নরম ট্রাম্পের!
Donald Trump: শুল্কযুদ্ধ অব্যাহতই রাখছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেলের পর এবার বিদেশ থেকে আমদানি করা সর্বপ্রকার যানবাহনের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের। কিছুদিনের জন্য নয়, একেবারে পাকাপাকিভাবেই বসানো হবে শুল্ক, ঘোষণা ট্রাম্পের। ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে শুল্ক এবং ৩ এপ্রিল থেকেই শুল্ক বাবদ অর্থ সংগ্রহ করা হবে বলেও সাফ জানিয়ে দিলেন ট্রাম্প।
বুধবার হোয়াইট হাউসের কার্যালয়ে বসে ট্রাম্প জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়নি এমন সমস্ত গাড়ির পর ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপানো হবে। ২.৫ শতাংশ থেকে শুরু হয়েছিল। তবে এবার তা একলাফে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের জেরে আমেরিকার আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি হবে বলে দাবি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি বলেন, "এর ফলে আমেরিকার অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এতটাই হবে, যা কল্পনাতীত। কিন্তু কেউ যদি আমেরিকাতেই গাড়ি নির্মাণ করেন, তাহলে কোনও শুল্ক দিতে লাগবে না।"

মূলত ২ এপ্রিলকে 'লিবারেশন ডে' বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবেই ঘোষণা করে দিয়েছেন ট্রাম্প। কারণ ওই তারিখেই কার্যকর হতে চলেছে ট্রাম্পের ঘোষিত একাধিক শুল্ক। ব্যবসা বাণিজ্য সংক্রান্ত নানা ঘোষণা কার্যকর হবে সেদিনই। বিভিন্ন দেশের উপর চাপানো শুল্ক কার্যকর করা হবে ২ এপ্রিল থেকে। এতদিন আমেরিকার আমদানিকৃত একাধিক পণ্যের উপর বিভিন্ন দেশ যথেচ্ছ হারে শুল্ক চাপিয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প চাইছেন শুল্কযুদ্ধ জিইয়ে রাখতে। এদিকে তাঁর এই সিদ্ধান্তে বাজারগত ঝুঁকি ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতেই আমদানি করা বিভিন্ন গাড়ির উপর ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। আর এবার তা ঘোষণাই করে দিলেন। যদিও এর নেপথ্যে টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্কের কোনও ভূমিকা রয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দিহান সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহল। ট্রাম্পের অবশ্য দাবি, যানবাহনের উপর শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তাঁর নিজেরই, এতে কারও কোনও ইন্ধন নেই।
এদিকে, চিনের উপর চড়া হারে শুল্ক চাপানো নিয়ে সুর নরম ট্রাম্পের। টিকটক নিয়ে চুক্তি করতে চিনের অনুমতির প্রয়োজন। আর তাই চিনকে শুল্কে কিছুটা ছাড় দেওয়ার কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেন, টিকটক নিয়ে সিদ্ধান্তে চিনের ভূমিকা থাকবে। আশা করি চিনের অনুমোদন মিলবে। কাজ আদায় করে নিতে হয়ত শুল্কের উপর কিছুটা ছাড়ও তাদের দেওয়া হতে পারে। তবে, এর আগে চিন, ভারত-সহ একাধিক দেশে চড়া হারে শুল্ক আরোপের কথাই বারবার বলে এসেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।












Click it and Unblock the Notifications