India-US Relations: আমেরিকায় ফের ট্রাম্প-শাসনে লাভ হবে ভারতের? ব্যবসা থেকে প্রতিরক্ষা, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
India-US Relations in Trump 2.O: দ্বিতীয়বার আমেরিকার মসনদে বসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ভারত-আমেরিকা সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এর আগে ট্রাম্পের শাসনকালে 'হাউডি মোদী' কিংবা 'নমস্তে ট্রাম্প'-এর মতো অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। তারপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। দ্বিতীয় ট্রাম্প-শাসনে সুযোগের পাশাপাশি অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে ভারতকে।
ব্যবসা-বাণিজ্য, সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা এবং অভিবাসন সংক্রান্ত নানান বিষয়ে ভারত-আমেরিকা সুদৃঢ় বন্ধন গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে আগামিদিনে। ক্ষমতায় ফিরলে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ ব্যবসা বাণিজ্যে গুরুত্ব দিয়ে বহির্বাণিজ্যে চড়া শুক্ল আরোপের কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। যার জেরে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি, ফার্মাসিউটিক্যাল ও বস্ত্রশিল্প ক্ষেত্রে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে। এগুলি সবই আমেরিকার বাজারের উপর নির্ভরশীল।

তবে চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি নতুন দিশাও খুলতে পারে ভারতের জন্য। চিন (China) থেকে সাপ্লাই চেন সরানোর জন্য ভারতকে বিকল্প জায়গা হিসেবে বেছে নিতে পারে আমেরিকা। নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট গড়ে উঠতে পারে ভারতে। যার জেরে উল্টে মার্কিন ব্যবসার (Trade) ভারতে প্রবেশের ফলে লাভবান হতে পারে নয়াদিল্লি (New Delhi)।
ট্রাম্পের প্রথম শাসনকালে কড়া অভিবাসন নীতি (Immigration) ভারতের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। এইচ-১বি ভিসায় ভারতীয় পেশাজীবীদর উপর নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছিল। বিদেশি কর্মীদের উপর বাড়তি নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে আবারও সেই অভিবাসন নীতি প্রয়োগ করলে ভারতীয় কর্মীদের উপর খাঁড়ার ঘা নেমে আসবে। এমনকি ওই সমস্ত কর্মীদের প্রতিষ্ঠানগুলির উপর প্রভাব পড়বে।
সামরিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও আমেরিকার পারস্পারিক সহযোগিতা মাইলফলক হয়ে থেকেছে। জেট তৈরির জন্য জিই-হালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে জো বাইডেনের শাসনকালে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেরার পর প্রতিরক্ষা নিয়ে একই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারেন বলে মনে করছে ভারত। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আধিপত্য ঠেকাতেও ভারত-আমেরিকা সহযোগিতা অব্যাহত থাকতে পারে।
সন্ত্রাসবাদ দমনেও ট্রাম্পের নীতি ভারতের পক্ষে সুবিধাজনক হতে পারে। পাকিস্তানের (Pakistan) প্রতি বরাবর আমেরিকার কড়া অবস্থান চেয়েছে ভারত। সীমান্তে বল প্রয়োগের মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর ব্যাপারে ট্রাম্পের সেই নীতি পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে বলে আশা নয়াদিল্লির।












Click it and Unblock the Notifications