Titanic Submersible: টাইটানিক দেখতে গিয়ে সলিল সমাধি, কীভাবে ডুবল টাইটানিক সাবমার্সিবল
টাইটানিক দেখতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ডুবে যাওয়া জাহাজ দেখতে গিয়ে নিজেই সাগরের গভীরে তলিয়ে গেল টাইটানিক সাবমেরিন (Titanic Submersible)। তিনদিন ধরে টানা খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে মার্কিন উপকূল রক্ষী বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে সেই সাব মেরিেন যতজন ছিলেন তাঁরা সকলেই মারা গিয়েছেন।
কিন্তু কীভাবে ঘটন এই দুর্ঘটনা। কীভাবে সমুদ্রের গর্ভে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল সাবমেরিন টাইটানিক। কোন সমস্যার কারণে এই করুন পরিণতি তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে পরিমাণ অক্সিজেন নিয়ে সাবমেরিনটি গিয়েছিল সেই অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। তার জেরেই সকলের সলিল সমাধি।

গত তিনদিন ধরে সাগর তোলপাড় করে টাইটানিক সাবমেরিনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে মার্কিন উপকূল রক্ষী বাহিনী। গতকাল অভিশপ্ত টাইটানিকের পাশে টাইটানিক সাবমেরিনের মতই কোনও বস্তু পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। তার ভিডিও তুলে আনেন। তারপরেই তাঁরা নিশ্চিত করে জানান যে সমুদ্রের অতলে সলিল সমাধি হয়েছে টাইটানিক সাবমেরিনের।
ডুবে যাওয়া জাহাজ টাইটানিক দেখার জন্য সাবমেরিনটি তৈরি করেছিল এক মার্কিন সংস্থা। ওসেনগেট নামে একটি সংস্থা টাইটানিক জাহাজ সমুদ্রের গভীরে দেখতে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই সাবমেরিনটি তৈরি করে। প্রথমে সবটা ঠিকই ছিল। সমুদ্রের ১৬০০ ফুট গভীরে নিয়ে গিয়েছিল এই সাবমেরিন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সমুদ্রের গভীরে প্রবেশ করতেই এই সাবমেরিনের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে কন্ট্রোলরুম।
প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে সাবমেরিনটি তৈরিতেই গলদ ছিল। সেকারণে সমুদ্রের গভীরে যত প্রবেশ করেছে সাবমেরিনটি তত তার উপর জলের চাপ বেড়েছে। সেই জলের চাপ নিতে পারেনি টাইটানিক সাবমেরিন। তার জেরেই এই বিপত্তি। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এই ত্রুটিকে বলা হচ্ছে ক্যাটাস্ট্রপিক ইমপ্লোশন।
টাইটানিকের পাশে এই ডুবো জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে েদখা গিয়েছে। মার্কিন কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সেই ডুবোজাহাজের সব যাত্রীরই সলিল সমাধি হয়েছে। চালক থেকে শুরু করে যাত্রীরা কেউ আর বেঁচে নেই। এই অপ্রত্যাশিক ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তারা। তবে যাঁরা মারা গিয়েছে তাঁদের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications