Rishi Sunak: প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার এটাই সঠিক সময়! সুনকের বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠি
Rishi Sunak: সঙ্কটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক! সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম অনাস্থার চিঠি। ভারতীয় বংশোদ্ভুত সুয়েলা ব্রেভারম্যানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পথ থেকে বরখাস্ত করেন ঋষি সুনক। একই সঙ্গে বিদেশমন্ত্রী পদে ডেভিড ক্যামেরণকে ফিরিয়ে আনেন তিনি। আর এরপরেও সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম অনাস্থার চিঠি ঋষি সুনককে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের এক অনুগামী তথা স্থানীয় এক সাংসদ ঋষি সুনকের (Rishi Sunak) পরিবর্তে এক যোগ্য নেতৃত্বকে নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ওই সাংসদ অনাস্থার চিঠি প্রকাশ্যে এনেছে। যেখানে ঋষি সুনকের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

এমনকি গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত বরিস জনসনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে যেভাবে সরানো হয়েছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওই সাংসদ। আর এরপরেই তিনি লিখছেন, অনেক হয়েছে...। ঋষি সুনকের (Rishi Sunak) এটাই চলে যাওয়ার সঠিক সময়। উল্লেখ্য, সুয়েলা ব্রেভারম্যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে থাকাকালীন প্যালেস্তাইন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন। আর এরপরেই ওই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী সুনক (Rishi Sunak)।
একই সঙ্গে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরণকে ডাউনিং স্ট্রিটে ফিরিয়ে আনলেন তিনি (Rishi Sunak)। দীর্ঘ প্রায় কয়েক বছর পর মন্ত্রিসভায় ক্যামেরণ। বিদেশমন্ত্রী পদে তাঁকে বসানো হয়েছে। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আর বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ক্যামেরণ বৈঠক সেরেছেন।
প্রবল চাপ এবং বিতর্কের মধ্যেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত ঋষি সুনক (Rishi Sunak) । প্রায় ১৩ মাসের সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভায় রদবদল আনেন তিনি। আর এরপরেই অনাস্থার চিঠি পেলেন সুনক। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। এই অবস্থায় সে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কি হয় সেদিকেই নজর সবার। তবে অনাস্থা চিঠির পর সুনকের সরকারের সঙ্কট বাড়বে তা কার্যত নিশ্চিত বিশেষজ্ঞমহল।












Click it and Unblock the Notifications