Tibet Earthquake: সপ্তাহ পেরোতেই তিব্বতে ভূমিকম্পের পরপর শক্তিশালী আফটারশক, ঘনাচ্ছে আরও বিপদ?
Tibet Earthquake: গত সপ্তাহের ভূমিকম্পের আতঙ্কের রেশ এখনও কাটেনি। সোমবার ফের দু'দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত। সোমবার রাতে এক মিনিটের ব্যবধানে দুইবার কম্পন (Tremor) অনুভূত হয়। যা গত সপ্তাহের ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আফটারশক (Aftershocks) হিসেবেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫।
গত ৭ জানুয়ারি তিব্বতে ভূমিকম্পের জেরে ১০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। কম্পন অনুভূত হয়েছিল চিন, নেপাল, ভুটান, উত্তর ভারত ও বাংলাদেশের একাংশেও। তার এক সপ্তাহের ব্যবধানে আফটারশক। সোমবার চিনের তিব্বতে স্বশাসিত অঞ্চল শিগেজের টিংরিতে (Tingri) কম্পন অনুভূত হয়।

স্থানীয় সময় অনুযায়ী রাত ৮টা বেজে ৫৮ মিনিটে কেঁপে ওঠে শিগেজ। তার এক মিনিট বাদেই ফের কেঁপে ওঠে এলাকা। গত সপ্তাহের ভূমিকম্পের উৎসস্থল থেকে ৯ কিলোমিটার দূরেই ছিল এদিনের উপকেন্দ্র (Epicentre)।
চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এখনও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। ভূগর্ভ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এদিনের উৎসস্থল। গত ৭ জানুয়ারির ভূমিকম্প ছিল ধ্বংসাত্মক। ২০০৮ সালে সিচুয়ানে ভূমিকম্পের পর ৭ জানুয়ারির ভূমিকম্প শক্তিশালীর নিরিখে পঞ্চম স্থানে ছিল। যার জেরে কমপক্ষে ১২৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জখম হয়েছেন প্রায় ৩৩৮ জন।
সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, ভূমিকম্পের জেরে টিংরিতে প্রায় ৪৭ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উচ্চ অক্ষাংশের এলাকায় তাদের তাঁবুতে রাখা হয়েছে। সেসমস্ত এলাকায় মাইনাস ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে তাপমাত্রা।
মূল ভারতীয় ও ইউরেশীর টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের জেরেই চিনের দক্ষিণ অংশ ও নেপাল এবং উত্তর ভারতে প্রায়শই ভূমিকম্প হয়। ভারতীয় প্লেটের সংঘর্ষস্থলের উপরেই অবস্থিত টিংরি অঞ্চল। সেকারণেই ভূমিকম্প হয় ওই সমস্ত অঞ্চলে।
গত মঙ্গলবারে তিব্বতে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাজধানী দিল্লি থেকে পূর্বের কলকাতাও কেঁপে ওঠে। অসমেও অনুভূত হয় কম্পন। সবচেয়ে বেশি কম্পন অনুভূত হয় বিহারের বিস্তীর্ণ অংশে। গত শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় ১৬০০টি আফটারশক হয়েছে তারপর থেকে। যার জেরে উদ্ধারকার্য ও ত্রাণ বিতরণের কাজও বারবার বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications