মহামারী বিপজ্জনক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে! ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ক্রমাগত রূপান্তরিত হচ্ছে, সতর্ক করলেন হু প্রধান
বিশ্ব অতিমারীর ভয়ঙ্কর সময়ের (very dangerous period) মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এমনটাই মন্তব্য করেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (who) ডিরেক্টর জেনালের টেড্রস আধানম ঘেব্রেসাস। তিনি বলেছেন, প্রথম ভারতে পাওয়া সংক্রমক ডেল্টা ভ্যারিয়
বিশ্ব অতিমারীর ভয়ঙ্কর সময়ের (very dangerous period) মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এমনটাই মন্তব্য করেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (who) ডিরেক্টর জেনালের টেড্রস আধানম ঘেব্রেসাস। তিনি বলেছেন, প্রথম ভারতে পাওয়া সংক্রমক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট (delta variant) এখন বিশ্বের ১০০ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেছেন, এই ভ্যারিয়েন্ট এখনও বিকশিত এবং রূপান্তরিত হচ্ছে।

কোনও দেশই বিপদের বাইরে যায়নি
টেড্রস আধানম ঘেব্রেসাস বলেছেন, কোনও দেশই বিপদের বাইরে যায়নি। কেননা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টটি বিপজ্জনক এবং ক্রমাগত রূপান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। যার জন্য ক্রমাগত মূল্যয়নের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের দিকগুলিকেও সাবধনতার সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপরে জোর দিয়েছেন তিনি। কড়া নজরদারি, পরীক্ষা, সনাক্তকরণ, আলাদা করার পাশাপাশি মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, ভিড় জায়গা এড়িয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।

খারাপ সময়ের শেষ করবে ভ্যাকসিন
হু-এর প্রধান বলেছেন, ভ্যাকসিনই এই মহামারীকে শেষ করতে পারবে। তিনি আরও বলেছে, বিশ্বের সব দেশের নেতাদের তিনি বলেছেন, সামনের বছরের এই সময়ে যেন প্রত্যেক দেশের অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষের ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ করা যায়। তিনি বলেছেন, ভ্যাকসিন যেমন মহামারীকে নিয়ন্ত্রণ করবে, অন্যদিকে অর্থনীতিকেও চাঙ্গা করবে।

বিশ্বের কিছু দেশের হাতে ক্ষমতা
টেড্রস বলেছেন, বিশ্বের কিছু দেশের হাতে অন্য দেশে ভ্যাকসিন বিলির ক্ষমতা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ কোটি ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে টিকাকরণে অনেক জায়গাতেই সামঞ্জস্যতা নেই। এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে, তাতে বিশ্বের গরিব দেশগুলির মধ্যে মাত্র ২ শতাংশের হাতে এই ভ্যাকসিন পৌঁছেছে। ধনী দেশগুলির মধ্যে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, কানাডা ১০ কোটি ভ্যাকসিন দান করার ব্যাপারে অঙ্গীকার করেছে।

কোনও দেশে ভ্যাকসিনেশন না হলে তার বিপদ সারা বিশ্বে
যদি কোনও দেশ তাদের জনগণকে ভ্যাকসিন দিতে না পারে, তাহলে তারা সারা বিশ্বের পক্ষেই বিপদ বলেও মন্তব্য করেছেন টেড্রস আধানম ঘেব্রেসাস। তাঁর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, এবছরের সেপ্টেম্বরে কোনো দেশের ১০ শতাংশ, বছরের শেষএ ৪০ শতাংশ এবং আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে ৭০ শতাংশ মানুষের টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোতে হবে। তিনি বলেছেন, বায়োএনটেক, ফাইজার, মোডার্না যদি তাঁদের প্রযুক্তি শেয়ার করে অবং নতুন ভ্যাকসিন উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি হয়, তাহলে তা সারা বিশ্বে টিকাকরণে গতি আনতে পারবে।












Click it and Unblock the Notifications