Covid Alert in China: হতে পারে করোনার তিনটি তরঙ্গ, মৃত্যুর সম্ভাবনা লক্ষাধিকের! করোনা নিয়ে সতর্কতা জারি চিনে
Covid Alert in China: হতে পারে করোনার তিনটি তরঙ্গ, মৃত্যুর সম্ভাবনা লক্ষাধিকের! করোনা নিয়ে সতর্কতা জারি চিনে
করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই চিনে জিরো কোভিড নীতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নীতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের পরে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা তুলে নেয় চিনের প্রশাসন। এই মুহূর্তে বেজিং কোভিডের বড় ঢেউ সামলানোর জন্য লড়াই করছে। যা চিনের স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপরেও চাপ তৈরি করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলছে, কোভিড শুরুর সময়ের মতোই এখনও চিনের কমিউনিস্ট সরকার আক্রান্তের সংখ্যা কম করে দেখাচ্ছে।

ওমিক্রনের কবলে চিন
এই মুহূর্তে রাজধানী বেজিং-সহ বেশ কয়েকটি শহরে করোনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানকার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, চিনের শহরগুলিতে অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য ওমিক্রনের BA.5.2 এবং BF.7 স্ট্রেন দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। এক অনুমান অনুযায়ী বিভিন্ন শহরে জনসংখ্যার অন্তত ৭০ শতাংশের বেশি করোনা ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত। এর জেরে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের ঘরবন্দি করে রেখেছেন।

তিনটি তরঙ্গের সম্ভাবনা
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চিনের মহামারী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনে তিনটি তরঙ্গের সম্ভাবনা রয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সংক্রমণ একেবারে শীর্ষে উঠবে। অন্যদিকে অল্প সময়ের মধ্যে তা বাড়তে থাকবে। মহামারী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানের সংক্রমণ চলবে জানুয়ারি মাঝামাঝি পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় তরঙ্গটি ২১ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহব্যাপী চন্দ্র নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে শুরু হবে। আর চিনবাসী ছুটির পরে কাজে ফিরলে তৃতীয় ঢেউ ফেব্রুয়ারি শেষ থেকে শুরু হয়ে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে।
|
হাসপাতাল রোগীতে ভর্তি
চিনের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিডের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর থেকে হাসপাতালগুলি রোগীতে ভর্তি। সেখানকার একটি শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের অবস্থা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কোভিডের কারণে এবার লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

চাপ সামলাতে পারছে না শেষকৃত্যের স্থানগুলি
রাজধানী বেজিং-এর অনেক বাসিন্দাকে দেখা গিয়েছে, ওষুধ নেওয়ার লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। হাসপাতালের ফিভার ক্লিনিকের সামনেও লম্বা লাইন। অ্যাম্বুলেন্স ডাকার সংখ্যাও বেড়েছে। শহরের শেষকৃত্যের স্থানগুলিতে চাপ বেড়েছে। সেখানকার সংবাদ মাধ্যমগুলিতে এই খবরই প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী বেজিং-এর ডংজিয়াও ফিউনারেল হোমে যেখানে কোভিড সংক্রান্ত শেষকৃত্য হয়ে থাকে, সেখানে পরিজনদের শেষকৃত্যের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বেজিং-এ ননস্টপ শেষকৃত্যের কাজ চলছে। মর্গগুলিও পরিপূর্ণ। সেখানে প্রায় ২ হাজার দেহ শেষকৃত্যের অপেক্ষা রয়েছে। পরিস্থিতি যেন ২০২০ সালের বসন্তের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। তবে পার্থক্য একটাই এবার আগেরবারের থেকে বেশি সংক্রমণ।












Click it and Unblock the Notifications