ডাবল ডোজে অ্যান্টিবডি কমলেও ভয় নেই, করোনা শত্রুকে চিনে রাখছে শরীর
ডাবল ডোজে অ্যান্টিবডি কমলেও ভয় নেই, করোনা শত্রুকে চিনে রাখছে শরীর
করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট যে ভ্যাকসিনের ডাবল ডোজের সুরক্ষা বলয়কেও ভাঙছে তা আগেই জনিয়েছিলেন গবেষকরা৷ সারা বিশ্বে এরকম মানুষের সংখ্যা কয়েক লক্ষ যারা ডাবল ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েও অসুস্থ হয়েছে। এমনকি কোভিড ভ্যাকসিনের ডাবলডোজ নিয়েও মৃত্যু হয়েছে এরকম মানুষের সংখ্যাও কম নয়৷ গবেষণায় দেখা গিয়েছিল দু'টি ডোজ সম্পূর্ণ হওয়ার ৫ মাসের মধ্যেই একজন মানুষের দেহে কমতে শুরু করছে করোনার বিরুদ্ধে লড়া অ্যান্টিবডি৷ স্বাভাবিকভাবেই দুটোর পর আরও একটি বুস্টার ভ্যাকসিনের কথা বলে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা৷ তবে সম্প্রতি পেনসিলভেনিয়ার নতুন গবেষণা আশার আলো দেখাচ্ছে। পেনসিলভেনিয়ার গবেষকরা জানাচ্ছেন এবার করোনার বিরুদ্ধে ব্যাকাপ প্ল্যান তৈরি করে রাখছে মানুষের শরীর-ই৷

কী বলছেন পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকরা?
এআরএনএ পদ্ধতিতে তৈরি ভ্যাকসিনের গবেষকরা জানাচ্ছেন সময়ের সঙ্গে মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কূজ করা অ্যান্টিবডিগুলি কমতে থাকে। কিন্তু শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজস্ব একটি ব্যাকআপ তৈরি করে রাখছে। যার জন্য কোনওরকম বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নেই। পেনসিলভানিয়া পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকরা
একটি গবেষণায় দেখেছেন করোন ভ্যাকসিনের ফলে শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিগুলি আস্তে আস্তে ক্ষয়িত হয়, কিন্তু এই ভ্যাকসিনের ফলেই শরীরে কোভিডের বিরুদ্ধে একটি স্থায়ী ইমিউন মেমোরি তৈরি হয় যেটি B এবং T কোষ আকারে বৃদ্ধি পায় এবং ভ্যাকসিনজাত অ্যান্টিবডিগুলো নষ্ট হয়ে গেলেও গুরুতর অসুস্থতা থেকে রক্ষা করল এই মেমোরিগুলো।
পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকরা এমআরএনএ ভ্যাকসিন দিয়ে টিকা দেওয়ার পর ছ'মাসের জন্য ৬১ জনকে পর্যবেক্ষণ করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন।

কী বলছেন গবেষক জন হ্যারি?
পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিন পেনসিলভেনিয়ার গবেষক জন হ্যারি সে দেশের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যদি অ্যান্টিবডিগুলি নষ্ট হয়ে যায় এবং শরীর প্রথমিকভাবে সংক্রমিত হয় তখন শরীরে থাকা মেমোরি বি কোষ নতুন করে শক্তিশালী ও সক্রিয় অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা রোগীকে জটিল সংক্রমণে যাওয়ার হাত থেকে আটকায়৷

আর কী বলছে গবেষণা?
এছাড়াও ভ্যাকসিনের ফলে সক্রিয় মেমোরি টি কোষগুলি করোনায় বেশি সংক্রমিত সেগুলি খুঁজে বেরকরে ধ্বংস করে। এবং শরীরের সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত বর্ম তৈরি করে। গবেষণায় আরও উটে এসেছে নাক এবং গলার আস্তরণের থাকা শ্লেষ্মা পৃষ্ঠের কোষে থাকা অ্যান্টিবডি করোনাভাইরাসকে শরীরে প্রবেশে বাধা দিয়ে করোনা সংক্রমণ আটকায়। তবে যেহেতু প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডিগুলি সময়ের সঙ্গে নষ্ট হয়ে যায় তাই মানুষের শরীরে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকেই যায় যতক্ষণ না টি সেলের নতুন অ্যান্টিবডিগুলি করোনা প্রতিরোধে যুদ্ধ শুরু করে।












Click it and Unblock the Notifications