করোনার প্রতিষেধকের খোঁজে বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার
করোনার প্রতিষেধকের খোঁজে বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার
সময় যেন থমকে গেছে করোনা ভাইরাসের আক্রমণে, প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আর এই কোভিড-১৯-কে রুখতে বিশ্বের উন্নততম সুপারকম্পিউটার আইবিএমের 'সামিট' খোঁজ চালাচ্ছে সেই দুরূহ সঞ্জীবনীর।
আমেরিকার শক্তি বিভাগের ওকরিজ জাতীয় গবেষণাশালায় আইবিএম সামিটকে করোনার প্রতিষেধক খোঁজার কাজে লাগানো হয়। সুপার কম্পিউটারটি ইতিমধ্যে খুঁজে বের করেছে ৭৭টি ক্ষুদ্রতম আণবিক যৌগ যেগুলি এই মহামারীকে রুখতে কার্যকরী হতে পারে। যদিও এই মুহূর্তেই একে চূড়ান্ত সাফল্যের আখ্যা দিতে নারাজ গবেষকদলের একাংশ।

মানবজাতির রক্ষার্থে আইবিএম সামিট
এক সংবাদ বিবৃতিতে ওকরিজ গবেষণাশালার প্রধান জেরেমি স্মিথ জানিয়েছেন, "গত এক-দু'দিন ধরে সামিটের মাধ্যমে আমরা নানা প্রক্রিয়া একের পর এক চালিয়ে গিয়েছি, যেখানে কোনো সাধারণ কম্পিউটারের সময় লাগতো কয়েক মাস। প্রক্রিয়াগুলির ফলাফল যদিও আমাদের উওহান করোনার প্রতিষেধক খুঁজে দেয়নি, তবুও আমরা আশাবাদী যে ভবিষ্যতে গবেষণার ক্ষেত্রে আমাদের এই তথ্যগুলি গুরুত্বপূর্ণ হবে।"

সময় কম থাকার কারণেই দ্রুত সামিটের আয়োজন
যেহেতু বিজ্ঞানীদের হাতে সময় কম, তাই ভাইরাসকে গবেষণালয়ে পরীক্ষানিরীক্ষার আদিম পদ্ধতি পাল্টে অনেকেই ভাইরাসের কর্মপদ্ধতি নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে প্রতিষেধক আবিষ্কারে সচেষ্ট। এই ক্ষেত্রে সামিট অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন ভাইরাসের উপর বিভিন্ন যৌগের প্রভাব অনুধাবনের মাধ্যমে খুব কম সময়ে সিদ্ধান্তে আসা সম্ভবপর হয় সামিটের কারণে।

কেমরিক্সভতে প্রকাশিত গবেষণাজনিত প্রশ্নোত্তর
ওকরিজের নিজস্ব পেজের বিবৃতি অনুযায়ী, "দুই গবেষকের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল করোনা ভাইরাসের প্রধান প্রোটিন উপকরণটিকে অচল করে দেওয়া যেটি কোনও কোষকে আক্রমণ করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এজন্যে প্রায় ৮০০০ যৌগ ভাইরাসের উপর একের পর এক প্রয়োগ করা হয়। গবেষণাজনিত সমস্ত রকমের তথ্য কেমরিক্সভতে প্রকাশিত হয়েছে।"












Click it and Unblock the Notifications