চিনকে টেক্কা দিতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি গবেষণায় ১৭০ বিলিয়ন বিনিয়োগ আমেরিকার
চিনকে টেক্কা দিতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি গবেষনায় ১৭০ বিলিয়ন বিনিয়োগ আমেরিকার
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশের দৌড়ে রয়েছে চিন। এশিয়ার এই সুপার পাওয়ারকে ভয় পেয়ে এবার নড়েচড়ে বসল আমেরিকা৷ নিজেদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণায় ১৭০ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করেছে দেশটি৷ এ যাবৎ এটি যে কোনও দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট৷ জো বাইডেনের ক্ষমতায় আসার পর আমেরিকার কংগ্রেসে নেওয়া এটি প্রথম বড় সিদ্ধান্ত। বিল হিসেবে এটি এখনও আমেরিকার হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এ তোলা হয়েছে। এরপর এটি হোয়াইট হাউসে যাবে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের জন্য।

বাইডেন জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এইনআইন পাস হওয়া নিয়ে তিনি উৎসাহিত'। সে দেশের সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, 'আমরা একবিংশ শতাব্দী জয় করার জন্য একটি প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছি। এই বিল এনে আমরা দৌড় শুরু করার জন্য বাঁশি বাজিয়ে ফেলেছি।' তিনি আরও যোগ করেন, 'অন্যান্য দেশগুলি তাদের নিজস্ব গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আমরা পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি নিতে পারি না। আমেরিকার অবশ্যই পৃথিবীর সবচেয়ে উদ্ভাবনী এবং উৎপাদনশীল দেশ হিসাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে স্বচেষ্ট হবে। এই বিল তারই সঠিক প্রয়াস।'
আমেরিকান সেনেটে শাসক দলের নেতা চাক শিউমার বলেন, 'এই বিনিয়োগটি বড় সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে বিবেচিত হবে। এটি একবিংশ শতাব্দীতে টিকে থাকার লড়াই ও বাজার দখলে আমেরিকার ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতি বিশ্বাস প্রদর্শণ। বিলটিতে পূর্বে অনুমোদিত পরিকল্পনার জন্য ৫২ বিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বড় অংশের মতে প্রযুক্তিগত নির্মাণে অনেকাংশে আমেরিকাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে চিন। আমেরিকার অনেক বড় কোম্পানিকেও তাদের ছোট যন্ত্রাংশ চিন থেকে আমদানি করতে হয়৷ সারা বিশ্বে বেড়ে চলা এই চিনের নির্ভরতা কমিয়ে বিশ্ব মার্কেটকে আমেরিকা মুখী করার উদ্দেশ্যেই বিজ্ঞন প্রযুক্তিতে এত বড় অঙ্ক বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা৷












Click it and Unblock the Notifications