ইউক্রেনের একলক্ষ শরণার্থীকে আশ্রয় দেবে আমেরিকা, বললেন বাইডেন
ইউক্রেনের একলক্ষ শরণার্থীকে আশ্রয় দেবে আমেরিকা, বললেন বাইডেন
আরও একবার ইউক্রেনের পাশে থাকার বার্তা জো বাইডেনের৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি টুইটারে জানিয়েছেন যে ইউক্রেনের জনগণ সহায়তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভর করতে পারে। সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন ইউক্রেনের এক লাখ শরণার্থীকে স্বাগত জানাবে আমেরিকা। একই সঙ্গে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে রাশিয়ার সৈন্যরা ইউক্রেন ত্যাগ করলে এবং ভবিষ্যতে আগ্রাসন থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিলে মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

টুইটে বাইডেন লিখেছেন, যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে ঘরবাড়ি হারানো শরনার্থীদের সাহায্য করার কাজ পোল্যান্ড বা কোনো দেশের একা বহন করবে না। এই কাজে বিশ্বের সমস্ত গণতন্ত্রের সাহায্য করার দায়িত্ব রয়েছে। ইউক্রেনের জনগণ তাদের আশ্রয়ের জন্য আমেরিকার ওপর নির্ভর করতে পারে। আমরা ১ লক্ষ ইউক্রেনীয় শরণার্থীকে স্বাগত জানাব। অন্যদিকে ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক বলেছেন যে রাশিয়া 'আধা-মানবিক করিডোর'এর নামে জোর করে ৪০ হাজার ইউক্রেনীয়কে কোনও অজানা গন্তব্যে যেতে বাধ্য করেছে এবং ইউক্রেনের এই বাসিন্দাদের অপসারণে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করেনি৷ একটি টুইটে এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন ইরিনা ভেরেশচুক। টুইটে তিনি লিখেছেন, রাশিয়া জোরপূর্বক ৪০ হাজার ইউক্রেনীয়কে 'একটি অজানা দিকে' এর মাধ্যমে সরিয়ে দিয়েছে। ইউক্রেনের মানুষের এই অপসারণ ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে করা হয়নি।
প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ন্যাটোর নেতাদের বৈঠকে উপস্থিত হয়ে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন বাইডেন৷ তিনি বলেছিলেন যদি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোনভাবেই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়া তাহলে তার প্রত্যুত্তরে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকছে ন্যাটো৷ এর পরদিনই বাইডেন ইউক্রেন রাশিয়া সীমান্তের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মাত্র ৮০ কিমি দূরে একটি পোলিশ শহরে পৌঁছে ছিলেন এবং সেখানে তিনি ইউক্রেন শরনার্থীদের বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভালো অবগত হন বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন৷
এর আগে টুইটে বাইডেন লিখেছিলেন, 'তারা (রাশিয়া)এটি(রাসায়নিক অস্ত্র) ব্যবহার করলে আমরা (ন্যাটো) তার প্রতিক্রিয়া জানাব। প্রতিক্রিয়ার প্রকৃতি নির্ভর করবে ব্যবহারের প্রকৃতির উপর। ন্যাটো নেতৃবৃন্দ আজ ব্রাসেলসে বৈঠক করেছেন। ইউক্রেনে বিনা প্ররোচনা রাশিয়ার অন্যায় আগ্রাসনের শুরুর এক মাস পর এই বৈঠক। আমরা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং ইউক্রেনের আত্মরক্ষার অধিকার সুরক্ষিত রাখতে নিরাপত্তা সহায়তা দিয়ে ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখব।'












Click it and Unblock the Notifications