করোনায় রক্ষে নেই, দোসর বুবোনিক প্লেগ, ফের মহামারীর আশঙ্কা গোটা চিনে,বিশদে জানুন
করোনায় রক্ষে নেই, দোসর বুবোনিক প্লেগ, ফের মহামারীর আশঙ্কা গোটা চিনে, উপসর্গ সম্পর্কে বিশদে জানুন
ইতিমধ্যেই করোনা পর এবার নতুন মহামারী কথা জানিয়েছে চিন। ইতিমধ্যেই চিনের উত্তরে দুজনের শরীরে এই প্রাণঘাতী বুবোনিক প্লেগের ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে করোনার ধাক্কায় এমনিতেই টলমল অবস্থা গোটা বিশ্বের। তারপর এই নতুন রোগের ক্ষেত্রে এখনই যথাযথ পদক্ষেপ না নিতে পারলে শীঘ্রই এটি মহামারীর আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অতীতে বুবোনিক প্লেগের জেরে ইউরোপের অর্ধেক জনসংখ্যা কমে গিয়েছিল। মারা যায় প্রায় আড়াই কোটি মানুষ।

পশ্চিম মঙ্গোলিয়ায় প্রথম এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়
এই রোগের প্রকোপ রুখতে ইতিমধ্যেই চিনে সতর্কবার্তা জারি করেছে সেদেশের কমিউনিস্ট সরকার। সূত্রের খবর, গত শনিবার বায়ান্নুরের একটি হাসপাতালে প্লেগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এরপরই প্রশাসনিক মহলে হইচই পড়ে যায়। পশ্চিম মঙ্গোলিয়ার খোভদ প্রদেশে সম্প্রতি দুই সম্ভাব্য বুবোনিক প্লেগ রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তারা সম্পর্কে দুই ভাই। কিন্তু কি থেকে তাদের শরীরে এই প্রাণগাতী রোগের জীবাণু এল তা নিয়ে ধন্দে ছিলেন চিকিত্সকেরা।

সঠিক সময়ে চিকিত্সা শুরু না হলে মৃত্যু ২৪ ঘন্টায়
পরবর্তীতে জানা দুই ভাই মারমেটের মাংস খেয়েছিলেন। সেখান থেকেই এই রোগ ছড়িয়েছে অনুমান ডাক্তারদের। বর্তমানে মারমোটের মাংস না খাওয়ার জন্য প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই প্রাণী শিকারের উপরেও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। সূত্রের খবর, সঠিক সময়ে এই রোগের চিকিৎসা না হলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে।

প্লেগ বহনকারী প্রাণীদের শিকার ও ভোজনে নিষেধাজ্ঞা
এদিকে বর্তমানে ওই দুই রোগীর সংস্পর্শে আসা ১৪৬ জনকে চিহ্নিত করে আইসোলেট করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন কোনও ব্যক্তি শরীরে বুবোনিক প্লেগ থাবা বসালে তার হঠাৎ জ্বর, মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। পাশাপাশি ঠান্ডা লাগা এবং দুর্বলতা এবং শরীরের এক বা একাধিক পুলতে শুরু করতে পারে। ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট বুবোনিক প্লেগ মারাত্মক শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে সক্ষম। তবে সাধারণ ভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্যে এই রোগের চিকিত্সা করা যায়। সূত্রের খবর, মারমোটের মাংস ছাড়াও প্লেগ বহন করতে পারে এমন প্রাণীদের শিকার ও ভোজন বন্ধ করার ব্যাপারে জোরদার পর্যালোচনা শুরু করেছে বেজিং।

চিন থেকেই বারবার নতুন নতুন জীবাণুর প্রাদুর্ভাব কেন ? প্রশ্ন উঠছে
এদিকে চিন থেকে একের পর এক প্রাণঘাতী জীবাণু সন্ধান মেলায় আশঙ্কায় গোটা বিশ্ব। পৃথিবীতে ২০০ টার উপরে দেশ রয়েছে কিন্তু কোন দেশ থেকে কোন জীবানু খবর পাওয়া যাচ্ছে না। মূলত চিন থেকে এসব জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে এবং আশ্চর্যজনকভাবে গোটা পৃথিবীতেই চীনের নাগরিকদের মাধ্যমে জীবাণু ছড়াচ্ছে। কিন্তু তারপরেও দিনের-পর-দিন নির্বিকারই থেকেছে চিন প্রশাসন। এদিকে আজও জানা যায়নি করোনার উৎস। চিনের তরফে এই নিয়ে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা না হলেও নিয়মিতভাবে হঠাৎ করে চিন থেকে মহামারী ঘটাতে পারে এই ধরনের জীবাণুর সন্ধান মেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রেও গন্ধ পাচ্ছেন অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications