২ বছর পর চিনে রেকর্ড হারে বৃদ্ধি করোনা গ্রাফ, তাহলে কি শীতকালীন অলিম্পিক বাতিলের ইঙ্গিত
চিনে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা
বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। প্রথম চিন থেকে করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে ছিল বলে জানা গিয়েছিল। সোমবার চিনে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শীর্ষে উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। যা ২০২০ সালের মার্চ মাসের পর এবার রেকর্ড বৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে।

চিনের করোনা সংক্রমণ রেকর্ড হারে বৃদ্ধির কারণ আসলে কী? বেইজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিকের আয়োজন করা। এবং পাশাপাশি বর্ষবরণ উৎসব পালন করা হয়।
২০১৯ সালে প্রথমে চিনে করোনা সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল। যার জেরে সেখানে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। সোমবার ২২৩ টি নতুন করে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৮০ টি কেস শহর তিয়ানজিনের খবর। আর ৯ টি করোনার নয়া রূপ ওমিক্রন কেস ধরা পড়েছে গুয়াংডংয়ের দক্ষিণ থেকে। যা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
চিনের হেনান প্রদেশ জুড়ে আরও ৬৮ টি নতুন কেসের খবর পাওয়া গেছে। সেখানে শহরজুড়ে আংশিক লকডাউন ও গণ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। হেনান প্রদেশ জুহাই, ম্যাকাওয়ের সীমান্তবর্তী মূল ভূখণ্ডের শহর। যারা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের শহর ছেড়ে বাইরে যেতে বারণ করা হচ্ছে। গতকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে শহরজুড়ে চালু করা হয়েছে করোনা ও ওমিক্রন পরীক্ষা।
সোমবার চিনে বেইজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিকের জন্য সাধারাণ বাসিন্দাদের টিকিট বিক্রি বাতিল করা হয়েছে। কঠোর বিধি মেনেই শুধুমাত্র আমন্ত্রিতদের অলিম্পিক দেখানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার পাকিস্তানের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মারফত জানা গিয়েছে, করোনা চিকিৎসার জন্য চিনা ঐতিহ্যবাহী ভেষজ ওষুধের সফল ক্লিনিকাল ট্রায়াল ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। জুক্সিচাং ফার্মাসিউটিক্যাল দ্বারা উত্পাদিত চিনা ওষুধ Jinhua Qinggan Granules চিনে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
সোমবার মার্কিন যুগ্ম প্রধানের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি জানান, করোনা পজেটিভ হওয়া, তারপর আলাদা থাকা অর্থাৎ আইসোলেশনে থাকা, বা দূর থেকে কাজ করা কতটা কঠিন তা তিনি অনুভব করেছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা ডঃ অ্যান্টনি ফাউসি বলেন, এখনই বলার সময় আসেনি করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট মহামারির শেষ ধাপ কিনা, তা জানা যাবে খুব শীঘ্রই।












Click it and Unblock the Notifications