ইউক্রেনে প্রথম পর্বের অপারেশন শেষ, এবার লক্ষ ডনবাস, জানাল রাশিয়া
গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ত্রস্ত গোটাবিশ্ব। প্রবল প্রতিপক্ষ রাশিয়ার সামনে সেভাবে সাফল্য পায়নি ইউক্রেন। রাশিয়ান বুটের আওয়াজ আরও জোরালো হয়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিভে। শহরটিকে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে ছেড়েছে রাশিয়ান সেনা। তবে এই মুহূর্তে আর নয় যুদ্ধ। এবার রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হল, ইউক্রেনে প্রথম পর্যায়ের অভিযান শেষ হয়ে গিয়েছে। এরপর মস্কো ইউক্রেনের ডনবাস প্রদেশটিকে স্বাধীন করার দিকে জোর দেবে।

ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেছিল, সীমিত শক্তির ইউক্রেন পেরে উঠবে না রাশিয়ার সঙ্গে। শুধু তো আর রুশ সেনা নয়, রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরাও ফালাফালা করে দিচ্ছিল ইউক্রেনকে। রাশিয়ান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ওই বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ইউক্রেনের লিউহানস্ক প্রদেশের ৯৩ শতাংশ এবং ডনেটস্ক প্রদেশের ৫৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এই দুই প্রদেশই একত্রে ডনবাস প্রদেশ বলে পরিচিত।
এই মুহূর্তে রাশিয়ার বিপক্ষে কার্যত অসহায় ইউক্রেন। তারা ইতিমধ্যেই ন্যাটোর কাছে আবেদন জানিয়েছে, যাতে তাদের আকাশসীমা সুরক্ষিত করা যায়। তবে ন্যাটো তাতে সাড়া দেয়নি। উলটে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে রাশিয়া৷ জানিয়েছে, কোনওভাবে ইউক্রেন যদি আকাশসীমা বন্ধ করার চেষ্টা করে, ফল ভাল হবে না। এই মুহূর্তে হাজার হাজার রুশ সেনা ইউক্রেনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, সেনাবাহিনী তাদের নির্ধারিত অভিযান শেষ করে তবেই দেশে ফিরবে। প্রথম পর্যায়ের অভিযান শেষের দিকে হলেও এখনও তা একেবারে শেষ হয়নি৷
প্রসঙ্গত, শুক্রবারই ইউক্রেন রাশিয়া সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার কাছের এক পোলিশ শহরে আসেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। সেখান থেকে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখে ইউক্রেনের পাশে থাকার বার্তা দেন৷ তার আগে বৃহস্পতিবার একটি টুইটে ন্যাটোর নেতাদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বাইডেন লিখেছিলেন, 'ন্যাটো নেতৃবৃন্দ আজ ব্রাসেলসে বৈঠক করেছেন। ইউক্রেনে বিনা প্ররোচনা রাশিয়ার অন্যায় আগ্রাসনের শুরুর এক মাস পর এই বৈঠক। আমরা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং ইউক্রেনের আত্মরক্ষার অধিকার সুরক্ষিত রাখতে নিরাপত্তা সহায়তা দিয়ে ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখব।'












Click it and Unblock the Notifications