বিতাড়িত গনি, কার্য সিদ্ধি! ? যুদ্ধের অবসান ঘোষণা তালিবানদের, চিনের স্বীকৃতি নেপথ্যে কোন সমীকরণ
বিতাড়িত গনি, কার্য সিদ্ধি! ? যুদ্ধের অবসান ঘোষণা তালিবানদের, চিনের স্বীকৃতি নেপথ্যে কোন সমীকরণ
প্রথম থেকেই গনিকে নিয়ে প্রবল আপত্তি ছিল তালিবানদের। শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে গনির পদত্যাগের শর্ত দিয়েছিল তারা। শেষ পর্যন্ত গনিকে দেশছাড়া করেই ছাড়ল তারা। কাজ যখন হয়েই গেছে তখন আর যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। কাজেউ অবশেষে যুদ্ধের অবসান ঘোষণা করেছে তালিবানরা। তাই নিয়ে পশ্চিমের দেশগুলি শঙ্কিত হলও চিন কিন্তু আফগানিস্তানের তালিবান শাসনকে স্বীকৃতি দিেয়ছে। চিনের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে সুপ্ত মার্কিন বিরোধিতা জড়িয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

যুদ্ধের অবসান ঘোষণা
গজনী দখল থেকে শুরু হয়েিছল অভিযান। দিনরাত এক করে একের পর এক বড় শহর নিজেদের দখলে এনেছে তালিবানরা। কান্দাহার, লস্করগাহ, হেরাট তারপর কাবুল। আফগানিস্তানে রাজধানী কাবুলে পা রাখতেই পদত্যাগ করলেন প্রেসিডেন্ট আশরফ গনি। তালিবানরা প্রাসাদের দেওয়ার ছোঁয়ার আগেই দেশ ছাড়লেন তিনি। প্রতিবেশি দেশ কাজাখস্তানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন গনি।এখন শোনা যাচ্ছে তিনি ওমানে রয়েছে। তারপরেই প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল নেয় তালিবানরা। সেই প্রাসাদ দখল নেওয়ার পর একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেছে তারা । তাতে দেখা গিয়েছে গনির ড্রয়িং রুমে বসে খাবার খাচ্ছে জঙ্গিরা। আবার প্রাসাদের একাধিক জায়গায় ভাঙচুর করতেও দেখা গিয়েছে তাদের।

কোথায় গনি
আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে কাজাখস্তানে আশ্রয় নিয়েছিলেন গনি। সেখান থেকে ওখনওমানে রয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। গনি জানিয়েছেন তিনি দেশে থাকলে তালিবানরা রক্তের খেলায় মাতত। সেই রক্তপাত থেকে বাঁচাতেই তিিন দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। যদিও ভাইস প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন তিনি রয়েছেন এবং থাকবেন। তবে তালিবানদের সঙ্গে এক ছাদের নীচে কিছুতেই থাকবেন না। তালিবানরা দেশবাসীকে আতঙ্কিত গতে বারণ করেছেন তাঁরা জানিয়েছেন মহিলাদের কোনও ক্ষতি তারা হতে দেবেন না। যাতে কেউ অত্যাচার চালাতে না পারে সেকারণে তিলাবানআর্মি কাবুল ঘিরে রাখবে। এদিতে তালিবান আতঙ্কে দেশ ছেড়ে পালানোর হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিমানবন্দরে হুড়োহুড়ির সেই ছবি ভাইরালও হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

স্বীকৃতি চিনের
আফগানিস্তানে তালিবান শাসনের স্বীকৃতি দিয়েছে চিন। চিনের এই স্বীকৃতির নেপথ্যে বড় রাজনৈতিক সমীকরণ লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করছে কূটনীতিকরা। কাবুল বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই মার্কিন সেনার গুলিতে ৫ জনের মত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আমেরিকাকে জব্দ করতেই চিন তালিবানদের সমর্থন করছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর পর থেকে গোটা বিশ্বে চিনকে এক ঘরে করে রাখতে কোনও রকম কসুর করেনি আমেরিকা। এবার আমেরিকাকে চাপে রাখতে তালিবানদের সমর্থনের পথ বেছে নিয়েছে বেজিং এমনই মনে করা হচ্ছে।

নতুন েদশের নাম
আফগানিস্তানের নাম বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তালিবানরা। তাঁরা জানিয়েছেন ২০ বছর ধরে মার্কিন সেনার সঙ্গে লড়াইয়ের শেষে জয় হয়েছে তাঁদের। এবার তাই নতুন করে আফগানিস্তানকে তৈরি করতে চান তাঁরা। ইতিমধ্যে আফগানিস্তানের নামবদলের সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে তারা। ইসসামিক স্টেস্টস এমিরেটস নাম দেওয়া হচ্ছে আফগানিস্তানকে। এদিেক রাষ্ট্রপুঞ্জ এই নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিতে সীমান্ত খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। আফগান শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। আমেরিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেন সহ একাধিক দেশ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যারা আফগানিস্তান ছাড়তে চান তারা চলে আসুন।তাঁদের জন্য দরজা খোলা।












Click it and Unblock the Notifications