মেয়েদের খোঁজে শিকারি নেকড়ের মতো বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে তালিবানরা, গায়ে কাঁটা দেওয়া কাহিনী শোনালেন সাংবাদিক
মেয়েদের খোঁজে শিকারি নেকড়ের মতো বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে তালিবানরা, গায়ে কাঁটা দেওয়া কাহিনী শোনালেন সাংবাদিক
ফের নিজের দাপটে ফিরে এসেছে তালিবানরা। ক্ষমতা দখলের পরেই গোটা দেশে শুরু হয়ে গিয়েছে নির্যাতন। যে তািলবানরা নিজেদের বদলে যাওয়ার কথা বলেছিল। ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতে তাঁরা নিজেদের পুরনো জায়গায় ফিরে এসেছে। তালিবানদের শাসনের ভয়াবহ আতঙ্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন এক সাংবাদিক। তিনি শুনিয়েছেন সেই অভিজ্ঞতার কথা। মার্কিন সাংবাদিক জানিয়েছেন, তালিবানরা বাড়ি বাড়ি শিকারি নেকড়ের মতো ঘুরছে। ১৫ বছরের উর্ধ্বে থাকা মেয়েদের সন্ধানে ঘুরছে তারা। বিয়ে করতে মেয়েদের জোর করে তুলে নিয়ে যাচ্ছে তারা। এমনই ভয়ঙ্কর রোমহর্ষক কাহিনী শুনিয়েছেন তাঁরা।

মার্কিন সাংবাদিক জানিয়েছেন,কোন ক্রমে তিনি পালিয়ে বেঁচেছেন। তিনি জানিয়েছেন সেখানকার এক বাসিন্দা তাঁকে সেখান থেকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা দেশে। আফগানিস্তানের এরকম অসংখ্য মেয়ে তালিবানদের হাত থেকে পালিয়ে বেরাচ্ছে। তাঁদের কেউ পড়াশোনা শিখে ডাক্তার হতে চায়। কেউ আবার পড়াশোনা শিখে ভাল চাকরি করতে চান। তাঁরা সকলেই বাড়ি থেকে পালিয়ে বেরাচ্ছে তালিবানদের আতঙ্কে। তালিবানরা বাড়ি বাড়ি মেয়েদের খোঁজে ঘুরছে। এমনিতেই কয়েকদিন আগেই তালিবানরা একাধিক আফগান নারীর উপরে নির্যাতন করেছে। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।
যদিও ক্ষমতায় আসার পরেই তালিবানরা নারী স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছিেলন। তালিবানরা দাবি করেছিলেন তাঁরা ২০ বছর আগের তালিবান আর নেই। তারা দাবি করেছিল নারী স্বাধীনতা বজায় থাকবে। তালিবানরা সরকার গঠনে প্রথমে নারীদের স্বাগত জানিয়েছিলেন। এমনকী তালিবানরা মহিলা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন তাঁরা। তাঁদের কাজে ফেরার অনুরোধ জানিেয় কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলেছিলেন তাঁরা। কিন্তু তার পরেই আফগানিস্তানের সব সরকারি চ্যানেেল মহিলা সঞ্চাকদের কাজ বন্ধ করে দেয় তারা। এমনকী মেয়েরা ছেলেদের সঙ্গে এক স্কুলে পড়াশোনা করতে পারবে না বলেও ফতোয়া জারি করে।
তালিবানদের নারকীয় হত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে পালাতে শুরু করেছে আফগান নারীরা। কাবুল বিমানবন্দরে ভিড় করে সেখান থেকে দেশ ছাড়তে চাইছে তারা। ২০ বছর আগে নারকীয় তালিবান শাসনের ঘটনা মনে করেই শিউরে উঠছেন তাঁরা। ২০ বছর আগে অন্ধকার জগতে ফিরে গিয়েছি আফগানিস্তান। সেখানে নারীদের ঘরের কোনে ফেলে রাখা হয়েছিল। পড়াশোনার অধিকার ছিল না। বাড়ির বাইরে বেরোতে হলে পুরুষ সদস্যের প্রয়োজন হত। এমনকী ৫ বছরের ছেলে হলেও হত। বোরখা পরতে হত মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢাকা। একটু গা দেখা গেলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হত তাদের। প্রকাশ্য রাস্তায় পাথর ছুড়ে মারা হত তাদের।












Click it and Unblock the Notifications