তালিবানদের পঞ্জশির দখল নিয়ে মিথ্যা রটাচ্ছে পাকিস্তান! প্রতিরোধ জারি, পাল্টা দাবি প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্টের
পঞ্জশির (panjshir) তাদের দখলে চলে এসেছে। এমনটা দাবি করেছে তালিবানরা (taliban)। কাবুলের (kabul) উত্তরে থাকা এই প্রদেশই একমাত্র, যা তালিবানদের দখলের বাইরে ছিল। যদি পঞ্জশিরের বিরোধী বাহিনীর তরফে দাবি করা হয়েছে, তারা লড়
পঞ্জশির (panjshir) তাদের দখলে চলে এসেছে। এমনটা দাবি করেছে তালিবানরা (taliban)। কাবুলের (kabul) উত্তরে থাকা এই প্রদেশই একমাত্র, যা তালিবানদের দখলের বাইরে ছিল। যদি পঞ্জশিরের বিরোধী বাহিনীর তরফে দাবি করা হয়েছে, তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। পঞ্জশিরে তালিবানদের বিরোধী পক্ষে রয়েছেন, প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লা শালেহ ( Amrullah Saleh)।

তালিবান কমান্ডারের দাবি
এক তালিবান কমান্ডার সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন আল্লার দয়ায় তারা পুরো আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছেন। পঞ্জশিরে বিরোধী পরাজিত হওয়ায় পুরো আফগানিস্তান এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। কাবুলে উৎসব পালনে ঘনঘন বন্দুকের গুলির আওয়াজ শোনা গিয়েছে। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়াতেও পঞ্জশিরের পতনের দাবি করা হয়েছে।

পঞ্জশির তালিবানদের হাতের বাইরে ছিল
তালিবানদের দাবির সমর্থনে নিশ্চিত করে কিছু বলা না গেলেও, যদি তালিবানদের দাবি সত্যি হয়, তাহলে পুরো আফগানিস্তান, তাদের অধীনে চলে আসবে। কেননা ১৯৯৬ সালে আফগানিস্তানে শুরু তালিবান শাসনের সময় থেকে ২০০১-এ আমেরিকার হানাদারির সময় পর্যন্ত পঞ্জশির তালিবানদের হাতের বাইরে ছিল।

প্রতিরোধ চলছে, দাবি প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্টের
পঞ্জশিরে থাকা বিরোধী বাহিনীর নেতাদের মধ্যে অন্যতম আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লা শালেহ বলেছেন, তারা এখনও আত্মসমর্পণ করেননি। তবে তারা যে খুব ভাল পরিস্থিতিতে নেই, তাও তিনি জানিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারে। তারা তালিবানদের হানাদারির মধ্যে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। তারা এখনও জমিতে থেকেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন শালেহ।
তবে শুধু শালেহ নন, পঞ্জশিরের অন্য বিরোধী নেতারাও তালিবানদের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের আরও দাবি তাদের নিজেদের বাহিনীর সঙ্গে পুরনো সরকারের বাহিনী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
পঞ্জশিরের বিরোধী বাহিনীর প্রধান আহমেদ মাসুদের অভিযোগ, পঞ্জশির নিয়ে পাকিস্তানের মিডিয়া খবর ছড়িয়েছে। এটা মিথ্যা।

উজবেকিস্তানে 'বন্দি' পাইলটরা
১৫ অগাস্ট তালিবানরা কাবুল দখল করার আগে আমেরিকায় প্রশিক্ষিত পাইলটরা ৪৬ টি যুদ্ধবিমান উড়িয়ে উজবেকিস্তানে নিয়ে যান। সেখানে তাদের আটক করে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিশ্বের একাধিক সংবাদ মাধ্যম। তাদেরকে সেখানে জেলে বন্দির মতো রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন এক পাইলট।
এর আগে তালিবানদের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের গ্রুপের সহ প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বরাদর আফগানিস্তান সরকারের নেতৃত্ব দেবেন। তাদের প্রথম কাজ হবে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা, জানিয়েছে তালিবানরা। তবে তালিবানদের কাছে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের থেকেও বড় আশঙ্কার কথা হল দেশেই বিরোধী নানা গোষ্ঠী, বিশেষ করে আইএসরা।












Click it and Unblock the Notifications