Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

চিনকে ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী'র তকমা! ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডে' সমর্থন তালিবানদের

আফগানিস্তান এখন তালিবানদের দখলে। ২০ বছরের যুদ্ধ শেষে কাবুল ছেড়েছে মার্কিন বাহিনীও। ইতিমধ্যে নতুন সরকার গঠনের তোরজোড় শুরু করেছে তালিবানরা। আফগান শহর জুড়ে চলছে সরকার গঠনের প্রস্তুতি।

আফগানিস্তান এখন তালিবানদের দখলে। ২০ বছরের যুদ্ধ শেষে কাবুল ছেড়েছে মার্কিন বাহিনীও। ইতিমধ্যে নতুন সরকার গঠনের তোরজোড় শুরু করেছে তালিবানরা। আফগান শহর জুড়ে চলছে সরকার গঠনের প্রস্তুতি। তালিবানি কায়দাতে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন অংশকে। ইতিমধ্যে তালিবানদের সমর্থন জানিয়েছে কমিউনিস্ট চিন।

চিনকে ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীর তকমা

শুধু তাই নয়, আফগানিস্তানকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তুলতে সবরকম ভাবে সাহায্য করা হবে বলে ইতিমধ্যে জানিয়েছে সে দেশ। কার্যত বেজিংয়ের তরফ থেকে সেই সমর্থন পাওয়ার পরেই পাল্টা চিনকে নিজেদের 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী'র তকমা দিল তালিবান।

সেই সঙ্গে শুক্রবার তালিবান মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়ে দিয়েছেন, চিনের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' কর্মসূচিকেও সমর্থন করবেন তাঁরা। আর তাতে কিছুটা হলেও চাপ বাড়বে ভারতের। এমনটাই মত সামরিক পর্যবেক্ষকদের।

চিনের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' প্রকল্প নিয়ে ইতিমধ্যে আওয়াজ তুলেছে ভারত। কারন এই প্রকল্পের জন্যে রাস্তা অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে যাবে। যা নিয়ে বারবার ভারতের তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পে এবার তালিবানদের সমর্থনে নিঃসন্দেহে ভারতের উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান। এখন শুধুই সে দেশে গুলির আওয়াজ আর নৃশংসাতেই এখনও পর্যন্ত প্রকাশ পেয়েছে। এই অবস্থায় সবজিনিশের দাম বাড়ছে। শুধু তাই নয়, সে দেশে এখন যা অবস্থা তাতে আর খুব বেশি হলে দিন ১৫ খাবার চলবে। কারণ দ্রুত শেষ হয়ে আসছে খাদ্য ভান্ডার।

এই অবস্থায় নতুন করে আফগানিস্তানকে সাজিয়ে তুলতে চায় তালিবানরা। আর এই অবস্থায় চিনকে পাশে চায় তাঁরা। নতুন করে সাজিয়ে তুলতে বেজিংকে ইতিমধ্যে স্বাগত জানানো হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিনের বিনিয়োগ করার কথা ইতিমধ্যে চিনকে জানিয়েছে তালিবানরা।

তালিবান মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' প্রকল্পকে সমর্থন জানাচ্ছে তাঁরা। তাঁর মতে, কর্মসূচির মাধ্যমে চিন বন্দর, রেলপথ, রাস্তা এবং শিল্পতালুকের বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এশিয়া মহাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকাকে আফ্রিকা এবং ইউরোপের সাথে যুক্ত করতে চায়। ফলে এই প্রকল্পের মাধ্যমে আফগানিস্তান সবদিক থেকে উপকৃত হবে বলে দাবি জবিউল্লা মুজাহিদের।

শুধু তাই নয়, তাঁর দাবি, আফগানিস্তানের মাটির নীচে কার্যত বিশাল তামার ভান্ডার রয়েছে। চিনের সাহায্যে এই বিশাল ভান্ডারকে কাজে লাগানো সম্ভব বলে দাবি তালিবান মুখপাত্রের। পাশাপাশি গোটা বিশ্বে আমাদের মাধ্যমে চিন সহজে ব্যবসা করতে পারবে বলে দাবি তাঁর।

উল্লেখ্য আফগানিস্তানের মাটি থেকে আমেরিকার সেনা সরতেই সেখানে ঘাঁটি গড়তে চায় বেজিং। আর তাই সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার আগেই তালিবানদের সমর্থন জানিয়েছে বেজিং। গত কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন এক মার্কিন কূটনীতিবিদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, আমেরিকার ছেড়ে আসা একাধিক ঘাঁটির দখল পেতে চালাচ্ছে বেজিং।

শুধু তাই অয়, আফগানিস্তানের তামা, লিথিয়াম, রূপো, নিকেলের ভাণ্ডারের দিকে 'নজর' রয়েছে চিনের। আর সেই কারণে সে দেশের মাটিতে ব্যাপক বিনিয়োগের ছক কষছে কমিউনিস্ট এই দেশ।

পর্যবেক্ষকদের মতে, , কার্যত এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে বেজিং। একদিকে ব্যাপক বিনিয়োগ করে একটা বিশাল মার্কেট একদিকে হাতে পাবে বেজিং অন্যদিকে সামরিক ক্ষেত্রেও একটা বড় জায়গা তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+