আফগানিস্তানের বুকে 'উলট পুরাণ'-এর ইঙ্গিত! তালিবানের সরকারে মহিলাদের চাইছে সংগঠন, নয়া রিপোর্ট প্রকাশ্যে
আফগানিস্তানের বুকে 'উলট পূরাণ'-এর ইঙ্গিত! তালিবানের সরকারে মহিলাদের চাইছে সংগঠন, নয়া রিপোর্ট প্রকাশ্যে
আফগানিস্তান জুড়ে বহু মহিলাই আপাতত তালিবানের যৌনদাসী হওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত। বাজারে দোকানে ক্রমাগত বোরখা পরার হিড়িক দেখা যাচ্ছে। বাড়ছে বোরখা কেনার হিড়িক। তালিবানের ২০ বছর আগের শাসনের স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি দেশ। সেদেশে মহিলাদের সঙ্গে কীভাবে তালিবান আচরণ করেছে , তা দেখেছে গোটা বিশ্ব। এদিকে, শুধু যে মহিলারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তা নয়, গোটা বিশ্ব জানে, যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি তলিবান কীভাবে শাস্তি দেয়। তাঁদের নৃশংসতার ইতিহাস সর্বজনবিদিত। এমন পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়া টিভি নিউডের একটি প্রতিবেদন বলছে, তালিবান জানিয়েছে তাদের তৈরি সরকারে এবার তারা চাইছে মহিলাদের।

এক নিউজ চ্যানেলে তালিবানরা কোন বার্তা দিল?
আফগানিস্তানের এক মিডিয়া চ্যানেলের চত্বরে যে তালিবান যোদ্ধাদের দাপাদাপি বাড়ছে সেই ছবি বহু জায়গায় তুলে ধরা হয়েছে। মিডিয়া চ্যানেলের অফি চত্বরে হাতে বন্দুক নিয়ে বহু তালিবান সেনাকেই ঘুরতে দেখা গিয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তানের এক মিডিয়া চ্যানেলে দেখা তালিবানের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে দিতে চায় তালিবানরা। ফলে আফগানিস্তানের পূর্বে যে সরকার রয়েছে, সেখানে যাঁরা তালিবানদের নজরে অপরাধী, তাঁদের চাইলে ছেড়ে দিতে পারে তালিবানরা।

সরকারে মহিলারা!
ইতিহাস বলছে, আফগানিস্তানে তালিবান জমানার আগে মহিলাদের পরিস্থিতি অত্যন্ত উন্নত ছিল। সেখানে মহিলাদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার মানও ভালো ছিল। মহিলা ,সম্মান ও নিরাপত্তায় প্রবল আঘাত হানে তালিবানরা। যেখানে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের বুকে বহু মহিলাকে ইচ্ছামত যৌন দাসী বানিয়ে রাখত তালিবানরা। এরপর মার্কিন সেনা সেদেশে পা রাখে। স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। এরপর ২০২১ সালে মার্কিন সেনা আফগানিস্তান থেকে সরে যেতেই তালিবানি আস্ফালন শুরু হয়। তবে যে মিডিয়া হাউস তালিবান আপাতত দখলে রেখেছে, সেখান থেকে তালিবানের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দিনের সরকারে তারা মহিলাদের চায়। যা কার্যত তালিবান ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে উলট পূরাণের সামিল।

ইসলামি নেতৃত্ব
এদিকে কাবুলের ওই মিডিয়া হাউস যা তালিবানি অধীনে রয়েছে, সেখান থেকে তালিবানের প্রতিনিধি ইনামুল্লাহ সামানগনি বলেছে যে, আফগানিস্তানে তলিবানের যে নতুন সরকার হবে, তাতে সমস্ত পক্ষের যোগদান তারা আশা করে। সম্পূর্ণ ইসলামি নেতৃত্বে থাকা এই সরকার মহিলাদের সরকারে যোগদান আশা করে থাকে।

ফেসবুক বন্ধ করলে তালিবানদের পোস্ট
এদিকে, তালিবানদের সমস্ত তথ্য ফেসবুক থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়ে গয়েছে। তালিবানদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে দাবি করেছে ফেসবুক। ফলে তাদের তরফে আসা সমস্ত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়া জায়েন্ট ফেসবুকে দেকা যাবে না। দিকে, ফেসবুকের অংশ হোয়াটস অ্যাপে তালিবানরা পর পর মেসেজ চালাচালি করে বলে খবর। তবে তা আপাতত নিষিদ্ধ করার পযযথে হেঁটেছে ফেসবুক।












Click it and Unblock the Notifications