টিউলিপকে এভাবে কাজে লাগানো হয়েছিল? হাসিনার বোনঝির বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ!
Treasury minister Tulip Siddiq: একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ! চরম বিতর্কের মধ্যেই ব্রিটেনের মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। যিনি কিনা সম্পর্কে শেখ হাসিনার বোনঝি। ইতিমধ্যে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। যদিও কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেছেন টিউলিপ।
তাঁর দাবি, যতদিন ব্রিটেনের মন্ত্রিসভায় কাজ করেছি ততদিন স্বচ্ছতার সঙ্গেই কাজ এবং দায়িত্ব সামলেছি। যদিও দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে শেখ হাসিনা তো বটেই, বোনঝির (Treasury minister Tulip Siddiq) বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। তিনিও বাংলাদেশের আইনের চোখ 'আসামী'। এমনটাই দাবি সে দেশের সংবাদমাধ্যমের।

বলে রাখা প্রয়োজন, জুলাই-অগাস্ট মাসে বাংলাদেশের বুকে হওয়া প্রবল আন্দোলনের মুখে পড়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। বর্তমানে ভারতের আশ্রয়ে আছেন তিনি। আর এরপর থেকেই মুজিব কন্যা এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক মারাত্মক অভিযোগ সামনে এসেছে।
অবৈধ লেনদেন সহ টাকা পাচার, একের পর এক মামলা দায়ের হয়েছে। এমনকি বোনঝি টিউলিপের বিরুদ্ধেও একের পর এক অভিযোগ বাংলাদেশের অন্তবরতী সরকারের।
অভিযোগ, টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনে একের পর এক সম্পত্তি উপহার হিসাবে পেয়েছেন। আর তা দিয়েছেন নাকি হাসিনার দল অর্থাৎ আওয়ামী লিগের নেতারা। আন্তজাতিক এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, মন্ত্রী থাকাকালীন টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডনের একটি বাড়ি উপহার হিসাবে পেয়েছিলেন।
আর তা ২০০৯ সালে বাংলাদেশের এক আইনজীবী নাকি উপহার হিসাবে তাঁকে দিয়েছিলেন। সেখানেই হাসিনার বোনঝি বর্তমানে যদিও থাকেন। এখানেই শেষ নয়, ২০০৪ সালেও আরও একটি বাড়ি লন্ডনেই উপহার হিসাবে পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। আর তা আওয়ামি লিগের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর থেকে উপহার হিসাবে পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশেও বিপুল সম্পত্তি টিউলিপের আছে বলেও অভিযোগ। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। যদিও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারকে যে ইস্তফাপত্রে টিউলিপ লিখেছেন, মন্ত্রী হিসাবে যতদিন কাজ করেছি ততদিন স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছ।
যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রেজারির ইকোনমিক সেক্রেটারি কাজ চালিয়ে যাওয়া বিভ্রান্তি তৈরি করবে। ফলে দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করার কথা বলেন টিউলিপ সিদ্দিক। ইতিমধ্যে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনার বোনঝির পদত্যাগ নিয়েছেন। তবে তাঁর জন্য দরজা খোলা আছে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications