পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গ্রেফতার হতে পারেন, কেন এমন সিদ্ধান্তের পথে সুপ্রিম কোর্ট
অনাস্থা ভোট নিয়ে পাকিস্তানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছে ইমরান খানের দল। এরপরই ইমরান খানকে গ্রেফতারের দাবি জানান বিরোধী দলনেত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ।
অনাস্থা ভোট নিয়ে পাকিস্তানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছে ইমরান খানের দল। এরপরই ইমরান খানকে গ্রেফতারের দাবি জানান বিরোধী দলনেত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ। আর তারপরই সুপ্রিম কোর্টে তরফে পদক্ষেপ করা শুরু হল। রাত ১২টার মধ্যে অনাস্থা ভোট না করালে গ্রেফতার হতে পারেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

সূত্রের খবর, সুপ্রিমকোর্টের অবমাননার দায়ে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গ্রেফতার হতে পারেন। এদিকে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি ১২টায় সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ জাতীয় সংসদের স্পিকার আসাদ কায়সার এখনও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট দেওয়ার অনুমতি দেননি।
পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই শনিবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা আবেদন করেন। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি অনাস্থা ভোট না ডাকার বিরুদ্ধে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট কড়া অবস্থান নেয়। অবিলম্বে অনাস্থা ভোট করার নির্দেশ জারি করে। পাল্টা এই নির্দেশ খতিয়ে দেখার আর্জি জানায় পাকিস্তানের সরকারি দল।
ইমরানের খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সেই আবেদন আদালত শুনতে রাজি হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট হওয়ার আগেই সুপ্রিম কোর্ট কড়া অবস্থান নেয়। প্রধান বিচারপতি রাত শনিবার রাত ১২টার মধ্যে অনাস্থা ভোট না হলে পদক্ষেপ করার বার্তা দেন। প্রধান বিচারপতি এদিন রাত ১২টায় এজলাস খোলার নির্দেশ দেন।
পাকিস্তানের বিরোধী দলনেত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেফতারের দাবি জানান। কারণ সুপ্রিম কোর্ট অবমাননা করেছেন ইমরান খান। এর আগে রায় দেওয়ার সময় পাকিস্তানের শীর্ষ আদালত সুরির আদেশকে 'অসাংবিধানিক' বলে অভিহিত করেছিল। প্রধান বিচারপতি উমর আতা বন্দিয়ালের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে নির্দেশ জারি করেছিল। সেই নির্দেশ পালন করা হয়নি বলে পদক্ষেপ নিতে পারে সুপ্রিম কোর্ট।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা ভোট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর ইমরানের দল পিটিআই-এর পক্ষ থেকে বাবর আওয়ান এবং অ্যাডভোকেট মহম্মদ আজহার সিদ্দিকির পিটিশনে সুপ্রিম কোর্টকে রায় খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছিল। এই চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে নেননি প্রধান বিচারপতি। তারপরই তিনি পদক্ষেপ করা শুরু করেন।












Click it and Unblock the Notifications