Titanic Submersible: গভীর আটলান্টিকে টাইটানিকের পাশেই সলিল সমাধি টাইটানের
Titanic Submersible: সমস্ত আশা শেষ! টাইটানিকের মতো গভীর আটলান্টিক সাগরেই সলিল সমাধি সাবমেরিন টাইটানের। আর তা টাইটানিক জাহাজের পাশেই খোঁজ মিলেছে বলে জানাচ্ছে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনী।
সাবমেরিনে থাকা সমস্ত (Missing Submarine) যাত্রীকেই ইতিমধ্যে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে বাহিনীর তরফে। যদিও এখনও সার্চ অপারেশন ( Titanic Submersible) চলছে বলেই জানা গিয়েছে। দেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সমুদ্রের গভীরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে নিয়ে যায় 'ওশানগেট' বলে একটি সংস্থা।

আর তা দেখাতে নিয়ে গেলে সংস্থার একটি সাবমেরিন ( Titanic Submersible) রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। আর এরপরেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। প্রায় ৯৬ ঘন্টা ধরে সেই উদ্ধারকাজ চলে বলে জানা যায়। মনে করা হচ্ছে, সম্ভবত অস্কিজেন শেষ হয়ে যাওয়ার কারনেই 'টাইটানে' থাকা সমস্ত যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
এমনকি সাবমেরিনটি ভেঙে পড়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা তা সরজমিনে খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। টাইটানে পাঁচজন যাত্রী ছিলেন। যার মধ্যে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বিলিয়নেয়ার ব্যবসায়ী শাহজাদা দাউদ এবং তার ছেলে সুলেমান দাউদ ছিলেন বলেও জানা যায়।
মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনী জানাচ্ছে, সার্চ অপারেশন চলাকালীন টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের পাশেই টাইটানের অবস্থান দেখা গিয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, সমুদ্রের প্রায় ১৬০০ ফুট গভীরে নিয়ে গিয়েছিল এই সাবমেরিন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সমুদ্রের গভীরে প্রবেশ করতেই এই সাবমেরিনের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে কন্ট্রোলরুম।

গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়া টাইটান 6.7 মিটার লম্বা, 2.8 মিটার চওড়া এবং 2.5 মিটার উঁচু। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সাবমেরিনটিতে পাঁচ জন যাত্রী বসতে পারেন। অক্সিজেন ৯৬ ঘন্টার থাকে। মোট আট ঘন্টা সময় লাগে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের কাছে যেতে। তবে শুধুমাত্র ধংসাবশেষ দেখতেই দেখতেই চার ঘণ্টা সময় লেগে যায়।












Click it and Unblock the Notifications