Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Steve Witkoff: রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী থেকে সরাসরি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা, ট্রাম্পের ‘বন্ধু’ স্টিভ উইটকফ চর্চায়

Steve Witkoff: রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী থেকে যুদ্ধবিরতির (Gaza Ceasefire) বৈঠকে পৌরহিত্যের দায়িত্ব। ট্রাম্পের আস্থাভাজন স্টিভ চার্লস উইটকফ এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভাবী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রশাসনে মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন স্টিভ উইটকফ। বিদায়ী বাইডেন প্রশাসনের শীর্ষ সরকারি কর্তা ছিলেন। আর আসন্ন ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যের দূত হিসেবে গুরুদায়িত্ব রয়েছে চার্লস উইটকফের উপর।

ইজরায়েল ও হামাসের (Israel Hamas War) মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কাতারের বৈঠকে উইটকফের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা সাড়া ফেলে দিয়েছে। কোনও কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব সামলানোর পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নিপুণ হাতে সমাধান বের করে দেন তিনি। ব্যবসায়ী মনোভাব ও দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুণই যুদ্ধবিরতির বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Steve Witkoff

ট্রাম্পের বিশেষ দূত (Middle East Envoy) হিসেবে স্টিভের অসাধারণ পারদর্শীতার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। কাতারে বাইডেনের প্রতিনিধি ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক সারেন তিনি। সক্রিয় আলোচনা করেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানির সঙ্গেও। উইটকফের ভূমিকার প্রশংসা করেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

১৯৫৭ সালের ১৫ মার্চ নিউ ইয়র্কের ব্রংকসে জন্মগ্রহণ করেন স্টিভ। ব্যাল্ডউইন হারবারে বেড়ে ওঠা তাঁর। হফস্ট্রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের ডিগ্রি নিয়ে ম্যানহ্যাটনে অ্যাটর্নির কাজ করেছেন তিনি। যদিও বরাবর ব্যবসায়ীক বুদ্ধি ছিল স্টিভের। আর তাই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগের ঝোঁক বাড়তে থাকে তাঁর। দ্য উইটকফ গ্রুপের প্রতিষ্ঠা করেন স্টিভ উইটকফ। বাণিজ্যিক ও আবাসিক বিভিন্ন সম্পত্তিতে বিনিয়োগকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন স্টিভ।

নিউ ইয়র্ক শহরজুড়ে বিভিন্ন আকাশচুম্বী বহুতল ও বিলাসবহুল অট্টালিকা তৈরি করেছে স্টিভের সংস্থা। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব কিন্তু আজকের নয়। সেই ১৯৮০-র দশক থেকে ট্রাম্পের আস্থাভাজন স্টিভ উইটকফ। ২০২৩ সালে ব্যবসায়ী উইটকফকে মধ্যপ্রাচ্যের দূত হিসেবে নিয়োগ করেন ট্রাম্প। বিশ্বের সবচেয়ে উপদ্রুত এলাকায় স্টিভ দায়িত্বের সঙ্গে সমস্যার সমাধান করবেন বলে আশাবাদী ছিলেন ট্রাম্প। গাজায় যুদ্ধবিরতির বৈঠকেও তেমনটাই উঠে এল।

তবে শুধু যুদ্ধবিরতিই নয়, ইজরায়েলের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগামিদিনে আরও মজবুত করে তোলার পক্ষেও সক্রিয়া ভূমিকা নিয়েছেন স্টিভ। সামরিক সহায়তা থেকে ট্রাম্পের প্রচারপর্বে অনুদান সংগ্রহে স্টিভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন।

তাছাড়া ২০২৪ সালে নেতানিয়াহুর পর কংগ্রেসি সম্মেলনের মতো ইজরায়েলের বিভিন্ন কূটনৈতিক অনুষ্ঠানে স্টিভের নিবিড় যোগাযোগও লক্ষ্য করা গিয়েছে। যেসময় মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনয়নের প্রচেষ্টা চলছে, ঠিক সেসময় ট্রাম্পের প্রশাসনে স্টিভের উপস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+