US Fund: বন্ধ মার্কিন অনুদান! বড় সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের, বিদেশি সহায়তা ছাড়া থমকে যাবে লক্ষ লক্ষ প্রকল্প

US Foreign Assistance: বিদেশি সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত নতুন ট্রাম্প প্রশাসনের (Trump Administration)। গ্লোবাল প্রজেক্টগুলির (Global Projects) ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়া বন্ধ করে দিল আমেরিকা (USA)। ব্যতিক্রমের তালিকায় রাখা হল ইজরায়েল ও ইজিপ্টকে। বিদেশি সহায়তায় সিংহভাগই প্রদান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর তা এবার বন্ধ হওয়ায় বিশ্বব্যাপী চলা লক্ষ লক্ষ সামাজিক প্রকল্পের চাকা থেমে যাতে পারে।

অনগ্রসরদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন বা কর্ম প্রশিক্ষণের প্রকল্পগুলি জোর ধাক্কা খাবে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে। ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ নেই, এমন সহায়তা প্রকল্পগুলি এবার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। মার্কিন প্রশাসন জনসমক্ষে এই সিদ্ধান্তের কথা না ঘোষণা করলেই আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর জারি করা নির্দেশিকায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

US Fund

এই নির্দেশিকার জেরে অবিলম্বে মার্কিন অনুদানে বিশ্বজুড়ে চলা বিভিন্ন প্রকল্প বন্ধের অর্ডার জারি করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা অলাভজনক সংস্থাগুলির। তেমনই এক সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এব্যাপারে বলেন, পরবর্তীতে যাতে ব্যয়বৃদ্ধি না ঘটে, তার জন্য অবিলম্বে হয়ত অনেক অনেক প্রকল্প বন্ধ করে দিতে হতে পারে।

সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস সূত্রে খবর, নতুন করে ট্রাম্পের সরকার আর বিদেশি সহায়তা খাতে খরচ করবে না। এর ফলে আগে যা বরাদ্দ হয়েছে, সেই টাকাই শেষবারের মতো খরচ হবে। তবে এরই মাঝে ব্যতিক্রম হতে পারে কিছু প্রকল্প। সেগুলি আগামিদিনে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখবে আমেরিকার স্বরাষ্ট্র দফতর।

স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও মার্কিন অনুদান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যার জেরে স্বাস্থ্য পরিষেবার অলাভজনক সংস্থাগুলিতেও হতাশা নেমে এসেছে। জানা গিয়েছে, ট্রাম্পের বিদেশনীতি মেনে চলার জন্য ও বিদেশি সহায়তার উদ্দেশ্য সঠিকভাবে সাধন হচ্ছে কি না, তা নিরীক্ষণ করার জন্যেই বিদেশি সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা।

তাহলে অলাভজনক সংস্থাগুলি বা তাদের চলা প্রকল্পগুলির কী ভবিষ্যৎ হবে? সূত্রের খবর, আগামী মাসের মধ্যেই সমস্ত বিদেশি সহায়তার প্রকল্প নিরীক্ষার কাজ শুরু হয়ে যাবে। তিন মাসের মধ্যে সরকারিভাবে সেই পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ শেষ হয়ে যাবে। এরপর মার্কিন সচিব মার্কো রুবিওর তরফে তৈরি রিপোর্ট তথা সুপারিশ পত্র পাঠানো হবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে।

মসনদে বসেই ট্রাম্প যে নির্বাহী আদেশনামায় সই করেছিলেন, তারই রূপায়ণ শুরু হয়ে গিয়েছে। আর তাই সিঁদুরে মেঘ দেখছে একাধিক এনজিও তথা অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলি। কুর্সিতে বসেই 'আমেরিকা ফার্স্ট'-এর কথা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে মার্কিন বিদেশনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া সংস্থা বা প্রকল্পগুলিকেই কেবল ধর্তব্যে রাখছে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু বাকি সংস্থাগুলি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+