এপ্রিলেই শেষ হয়ে যাবে ভারতের দেওয়া জ্বালানি ত্রাণ, বন্ধ হতে চলেছে শ্রীলঙ্কার পেট্রোল পাম্পগুলি
শ্রীলঙ্কার বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে গোটাবিশ্ব। ইতিমধ্যেই জ্বালানি শূন্য হওয়ার দিকে এগোচ্ছে দেশটি। অন্যান্য দেশ থেকে জ্বালানি কেনার মতো সামর্থ্যও নেই দেশের সরকারের কাছে। এবার জানা যাচ্ছে, এই কঠিন পরিস্থিতিতে আর মাত্র দু-সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে ভারতের পাঠানো জ্বালানি ত্রাণ।

আগামী ১৫, ১৮, ২৩ এপ্রিল মোট তিনটি কিস্তিতে শ্রীলঙ্কাকে ১ লক্ষ কুড়ি হাজার টন ডিজেল পাঠানোর কথা রয়েছে ভারতের। তার পাশাপাশি একই পরিমাণ পেট্রোলও পাঠাবে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। দুই দেশের শীর্ষ আধিকারিকরা জ্বালানির দাম নিয়ে আলোচনায় বসেছেন। এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির হাল একেবারেই খারাপ। কাজেই ক্রেডিট লাইন যাতে আরও বাড়ানো যায়, তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কা৷
তবু পড়শি দেশের প্রয়োজনে সাহায্য হাত বাড়িয়েছে ভারত। আদর্শ প্রতিবেশী দেশের মতো ভারত শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করছে তাদের অর্থনীতির অন্ধকার দশা পেরিয়ে আসতে। ইতিমধ্যেই ২৭০, ০০০ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করে ফেলেছে ভারত৷ শ্রীলঙ্কার অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, জমানো বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে জ্বালানি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনতে হচ্ছে তাদের।
১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজ শাসন থেকে মুক্তি পায় শ্রীলঙ্কা। সেই তখন থেকে এখন অবধি এটাই তাদের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংকট। দেশের একটা বড় অংশে সারাদিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকছে না। দেশের মানুষের কাছে জ্বালানি তেল নেই, খাদ্যের সংকটও দেখা দিচ্ছে। সরকার চাইলেও আর অন্যান্য দেশের কাছ থেকে লোন নিতে পারছে না। দেশের ক্রেডিট রেটিংসে পতন দেখা দিয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
যথারীতি বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নির্বাচিত রাজাপক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে তারা৷ প্রধানমন্ত্রী গোটাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে দিকে দিকে মিছিল বের করছে তারা। ভারত অবশ্য শ্যোন দৃষ্টি রেখেছে গোটা পরিস্থিতিতে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি শ্রীলঙ্কার খুব কাছের বন্ধু৷ কোভিড পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি আমরা।'












Click it and Unblock the Notifications