আইএসআইএস না এলটিটিই, শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে কারা?
আইএসআইএস না এলটিটিই, কলম্বোর ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে আদতে কোন জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
আইএসআইএস না এলটিটিই, কলম্বোর ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে আদতে কোন জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

কোনো জঙ্গি সংগঠনের তরফ থেকেই এখনও পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করা হয়নি। তাই ওই দুই নিষিদ্ধ সংগঠনকেই প্রাইম সাসপেক্ট মনে করে, ঘটনাপ্রবাহ পরপর সাজিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
দশ বছর আগেও শ্রীলঙ্কায় এধরণের নাশকতার দায় নিতে শোনা যেত সেখানকার প্রধান জঙ্গি সংগঠন লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলম বা এলটিটিইকে। ২০০৯ সালে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর পর, এলটিটিই-র কার্যকলাপ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যায় বলেই ধরে নেয় শ্রীলঙ্কা সরকার। কিন্তু এমন ধারনা ভুল হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। প্রশাসনের শিথিলতার সুযোগে, এলটিটিই ফের সংগঠন বিস্তার করে, দশ বছর পর এমন হামলা চালাতে পারে বলেই ধারণা গোয়েন্দাদের একাংশের। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী হত্যায় অভিযুক্ত এই জঙ্গি সংগঠনের নেটওয়ার্ক অনেক বেশি শক্তিশালী বলেই শোনা যায়।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক কালে বিশ্বের তাবড় তাবড় নাশকতায় নাম জড়িয়ে যাওয়া জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট বা আইএসআইএস-কেও, কলম্বোর ধারাবাহিক বিস্ফোরণে সন্দেহের বাইরে রাখছেন না গোয়েন্দারা। তবে সচরাচর যে কোনো নাশকতা ঘটানোর পর দায় স্বীকার করা আইএসআইএস, কেন এক্ষেত্রে মুখে কুলুপ এঁটে থাকবে, তা নিয়ে বেশ কিছু মহলে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তবে সূত্রের খবর, এমন ঘটনা যে ঘটতে পারে, সেকথা সরকারকে দশ দিন আগেই জানিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার পুলিশ প্রধান পুজুথ জয়সুন্দর৷ রবিবারের বিস্ফোরণের বিষয়ে সতর্কতাও জারি করেছিলেন দেশে৷ তাও এমন ভয়াবহ নাশকতা এড়াতে কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেল না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে৷












Click it and Unblock the Notifications