SriLanka Crisis: ৩৬ ঘন্টার কার্ফু, বন্ধ হল সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়াও! ভয়ঙ্কর অবস্থায় 'লঙ্কা'

স্বাধীনতার পর সবথেকে বড় আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা! পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে। সময়ের বেশির ভাগ সময়েই অন্ধকারে ডুবে থাকছে সে দেশ। ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে জ্বালানিও। এই অবস্থায় ক্রমশ মানুষের মধ্যে

স্বাধীনতার পর সবথেকে বড় আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা! পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে। সময়ের বেশির ভাগ সময়েই অন্ধকারে ডুবে থাকছে সে দেশ। ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে জ্বালানিও। এই অবস্থায় ক্রমশ মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে ক্ষোভ। আর সেই ক্ষোভের আগুনের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে।

আর সেই ঘটনা থেকে গত কয়েকদিন আগেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লঙ্কা! প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের বাড়ির বাইরে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

আর এরপরেই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জারি করা হয়েছে কার্ফু। শনিবার থেকে দেশে ৩৬ ঘণ্টার জন্য কার্ফু জারি করা হয়েছে। তবে কার্ফু উপেক্ষা করেই আজ রবিবার বড়সড় একটি বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও এহেন বিক্ষোভের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে একটা অশান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে সে দেশে।

অন্যদিকে ইণ্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার উপরেও কড়া নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কায় ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটস অ্যাপ। টিকটক, ইস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। মূলত অশান্তি যাতে না ছড়িয়ে পড়ে নতুন করে সেই কারণেই সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেটের উপর কড়াকড়ি বলে মনে করা হচ্ছে। আর এহেন সিদ্ধান্তে আরও ক্ষুব্ধ শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ।

বন্ধ হল সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়াও

শনিবার সন্ধে ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬ টা অবধি জরুরি অবস্থা জারি থাকবে। কার্ফু জারি করার পরেও শান্তিপূর্ণ ভাবে সে দেশের মানুষ বিক্ষোভ মিছিল বার করেন। তবে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে কীভাবেই অবস্থা সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়ে ক্ষোভ শ্রীলঙ্কার মানুষের মধ্যে বেড়েই চলছে। এই অবস্থায় প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবি উঠছে সে দেশের সর্বত্র। আর এই দাবিতেই গত কয়েকদিন আগে প্রেসিডেন্টের বাড়ি ঘেরাও করেন সাধারণ মানুষ।

শ্রীলঙ্কায় প্রতিদিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। ৩০ শতাংশ চড়া দামে বিকোচ্ছে খাবার, ওষুধ। এমনকি খাওয়ার জলের জন্যে হাহাকার অবস্থা তৈরি হচ্ছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জমায়েতের উপরও নিষধাজঙ্গা প্রেসিডেন্ট জারি করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে মানুষের ক্ষোভকে কতদিন দমিয়ে রাখবে সে দেশের সরকার, সে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি এমন ভাবে ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ হিসাবে চিনকে দায়ি করছেন অনেকেই। চড়া সুদে ঋণ নেয় লঙ্কা! আর এর উপর করোনার প্রভাব এবং সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়া পর্যটন ব্যবস্থাই কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+