চিনের গুপ্তচর বেলুন দেখার পরেও কেন গুলি করল না আমেরিকা! রইল চাঞ্চল্যকর সেই তথ্য
বেলুনকে ঘিরে এখন যাবতীয় রহস্য! কিন্তু আকাশে চিনের গুপ্তচর বেলুন দেখার পরেও কেন আমেরিকান বাহিনী গুলি চালালো না তা নিয়ে যাবতীয় জল্পনা। যদিও এই বিষয়ে উত্তর দিলেন এই বিশেষজ্ঞ।
china spy balloon : একবার নয়, পরপর দুবার দেখা চিনের স্পাই বেলুনের। আমেরিকার আকাশে দেখা গেলেও তা গুলি করে নামানোর কোনও চেষ্টা করা হয়নি। আমেরিকার বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন যে বেলুনটি দেখা গিয়েছিল তা সম্ভবত এমনই এক আর্টিফ্যাসিয়াল ইন্টিলেজেন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
আর এর মধ্যেই ল্যাতিন আমেরিকার আকাশেও দেখা গিয়েছে রহস্যময় ওই বেলুন। প্রথম আমেরিকার ব্যালিস্টিক মিসাইল সাইটের আকাশে দেখা যায়। তবে দ্বিতীয়টির অবস্থান সঠিক ভাবে উল্লেকহ করা হয়নি।
সার্ভিলিয়েন্স বেলুন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, বেলুনগুলি গুলি করে নামানো খুবই কঠিন।

বেলুনেও artificial intelligence!
এক সাক্ষাৎকারে উইলিয়ম কিম আরও বলছেন, প্রথম যে বেলুনটিকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। সেটি দেখতে একেবারে সাধারণ ওয়েদার বেলুনের মতো। কিন্তু তা আদৌতে নয়। বেলুনটি একাধিক আলাদা বৈশিষ্ঠ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই বিশেষজ্ঞ। তথ্য সংগ্রহের জন্যে রয়েছে বৈদ্যুতিন যন্ত্র। আর সেগুলিকে চালানোর জন্যে ব্যবহার করা হয়েছে বড়বড় সোলার প্যানেল। এছাড়াও সেটিতে এমন কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা মার্কিন সেনাও এখনও ব্যবহার করেনি বলে দাবি উইলিয়ম কিমের। তিনি আরও বলছেন, artificial intelligence-এর মাধ্যমে নির্ধারিত হচ্ছে যে বেলুনটি কোন দিকে যাবে। এর আগে বেলুন ওড়ানোর ক্ষেত্রে এমন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়নি বলেই দাবি ওই বিশেষজ্ঞের। এর সঙ্গে রেডিও কমনিকেশন থাকতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

স্যাটেলাইটের সঙ্গে তফাত কি?
কিম জানাচ্ছেন, পৃথিবী থেকে কিংবা মহাকাশ থেকে স্যাটেলাইটে আঘাত করা খুবই সহজ। কিন্তু বেলুনের ক্ষেত্রে তা সবসময়ে সম্ভব নয়। আর ওই বেলুন সবসময়ে র্যাডারে ধরা পড়ে না বলেও দাবি। বেলুনের মতো উপকরণ ধাতব নয়। ফলে এটি আকারে বড় হলেও সবসময় ধরা সম্ভব হয় না। ওই বিশেষজ্ঞের মতে, একটি বেলুন চাইলে একই জায়গাতে এক মাস পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। কিন্তু স্যাটেলাইট নিয়মত তার কক্ষপথে ঘোরে। ফলে চরবৃত্তির জন্যে স্যাটেলাইটের থেকে বেলুন অনেক বেশি সুবিধা জনক বলে মনে করছেন ইউলিয়ম কিম।

তাহলে ভুল করে নীচে নেমে যায়!!!
ওই বিশেষজ্ঞের মতে, সম্ভবত ওই বেলুনটি আরও অনেক উঁচু থেকে আমেরিকার তথ্য সংগ্রহের জন্যে এসেছিল। কিন্তু কোনও সমস্যার কারণেই সেটি অপেক্ষাকৃত নীচে নেমে আসে বলে ধারনা কিমের। একটি বেলুন ৬৫ হাজার থেকে ১ লাখ ফুট উচ্চতায় উঠতে পারে। কিন্তু এই বেলুনটি ৪৬ হাজার ফুট উচ্চতায় দেখা গিয়েছে। আর তা অনিচ্ছাকৃত ভাবেই হয়েছে বলে মনে করছে উইলিয়ম কিম। হিলিয়াম দিয়ে এই বেলুনগুলি তৈরি হয়। ফদলে গুলি করলে এটাতে যে আগুন ধরে যাবে তা নয়। উইলিয়ম কিম বলছেন, এতে গুলি করলে একটা ছোট ফুটো হতে পারে। আর তা অন্তত ধির গতিতে সেটিতে লিক হতে থাকবে। তবে সারফেস টু এয়ার মিসাইল ব্যবহার করে বেলুনটিকে ধ্বংস করা যেত বলে কিমের অনুমআন।












Click it and Unblock the Notifications