'ডার্ক প্রিন্স' মধ্যপ্রাচ্যে সুলেমানি হত্যার আড়ালে! CIA অফিসার ও মার্কিন বিমান দুর্ঘটনা ঘিরে জল্পনা
মধ্যপ্রাচ্যে সুলেমানি হত্যার আড়ালে 'ডার্ক প্রিন্স'!CIA অফিসার ও মার্কিন বিমান দুর্ঘটনা ঘিরে জল্পনা
ইরানের সেনা প্রধান সুলেমানির হাইপ্রোফাইল মৃত্যু ঘিরে মার্কিন-ইরান উত্তেজনা কিছুতেই প্রশমিত হচ্ছে না। ইরানের সেনা প্রধানের মৃত্যুর পর ইরাকে মার্কিন সেনা ছাউনি আক্রমণ করে তেহরান। আর তারপরই তেহরানের তরফে জবাব যায়, 'এটা শুধু মার্কিনীদের গালে থাপ্পড়' মাত্র। এরপরই ইরানের মিডিয়া রিপোর্ট শুরু হয়েছে জনৈক 'ডার্ক প্রিন্স'কে ঘিরে। জানা যাচ্ছে, সুলেমানিকে খুনের নেপথ্যে রয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর এই গুপ্তচর।

কাশেম সুলেমানির মৃত্যু ও সিআইএ
সূত্রের খবর বলছে , কাশেম সুলেমানিকে আচমকা ড্রোন হামলায় যেভাবে মার্কিন সেনা হত্যা করেছে তাতে নাম উঠে আসছে মার্কিন মুলুকের দাগী গুপ্তচর ডার্ক প্রিন্সের। যদিও ডার্ক প্রিন্সের আসল পরিচয় জানা যাচ্ছে না। তবে তিনি যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র সদস্য, তা জল্পনায় রেখেছে ইরানে সংবাদমাধ্যমগুলি।

ডার্ক প্রিন্সকে হত্যা করা হয়ে গিয়েছে!
জানা যাচ্ছে, আফগানিস্তানের গজনিতে যে মার্কিন বিমান ভেঙে পড়েছে সদ্য, তার মধ্যে ছিলেন ওই সিআইএ এজেন্ট ডার্ক প্রিন্স। তবে এই বিষয়ে কোনও নিশ্চিত করে কিছু জানাচ্ছে না মার্কিন বা ইরানের প্রশাসন। তবে ,যতক্ষণ না পর্যন্ত গজনিতে মার্কিন বিমান ভেঙে পড়ার তদন্ত হচ্ছে, ততক্ষণ আসল সত্যতা বেরিয়ে আসছে না। কারণ এর প্রমাণ এখনও হাতে পায়নি ইরান।

মার্কিন প্রশাসন কী বলছে?
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে গজনিতে ভেঙে পড়া বিমানটি মার্কিন বম্বার্ডিয়ার ই-১১এ। তবে, সেই বিমান আদৌ শত্রুদের হাতে শেষ হয়েছে নাকি নিছক কোনও দুর্ঘটনায় ঘটে গিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। আর তা নিশ্চিত করে কিছু বলছে না মার্কিন প্রশাসন।

আফগানিস্তানে ভেঙে পড় মার্কিন বিমান থেকে কী কী পাওয়া গিয়েছে?
আফগানিস্তানে ভেঙে পড়া মার্কিন বিমান নিয়ে জল্পনার পারদ চড়িয়েছে তালিবান প্রশাসন। কারণ, তারা জানিয়েছে, বিমানের অবশিষ্টাংশ থেকে মিলেছে কিছু অপরিচিত জিনিস। আর সেখানে একজন সিআইএ অফিসারের যে মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তানের তালিবান কর্তৃপক্ষ। তালিবান পরবর্তীকালে জানিয়ে দিয়েছে, যে সেই বিমান দুর্ঘটনা থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন সিাইএ গুপ্তচরের দেহ।

ডার্ক প্রিন্স ও ইরানের বক্তব্য
'ডার্ক প্রিন্স' নামের যে সিআইএ এজেন্টকে ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, তাঁর আরও একটি নাম 'আয়াতোল্লাহ মাইক'। ইরানের মিডিয়া জানাচ্ছে, সেই ডার্ক প্রিন্স ইরানের কর্মরত সিআইএর অন্যতম বড়সড় এজেন্ট ছিল। তাঁর নাম হতে পারে মাইকেল ডি অ্যান্ড্রিয়া। তবে তিনি খুব সাম্প্রতিক কালে মারা গিয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রসমর্থিত মিডিয়া জানিয়েছে। তবে কিসে মারা গিয়েছে তা জানায়নি। প্রশ্ন উঠছে , তাহলে গজনিতে যে বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে কি রয়েছে ডার্ক প্রিন্সের মৃত্যুর যোগ! নাকি ডার্কি প্রিন্সের মৃত্যুই হয়নি! জল্পনার পাারদ চড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে।












Click it and Unblock the Notifications