সূর্যগ্রহণ ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোন কোন পৌরাণিক কাহিনি প্রচলিত, একনজরে কিছু তথ্য
২০২১ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ আসন্ন ১০ জুন। এই সময়ে করোনাকালে চন্দ্রগ্রহণের ১৫ দিনের মধ্যে আসতে চলেছে সূর্যগ্রহণ। এই গ্রহণকাল ঘিরে একের পর এক তথ্য গত বেশ কয়েকদিনে আসতে শুরু করেছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক আসন্ন সময়ে, ১০ জুন সূর্যগ্রহণের আগে কোন কোন পৌরাণিক কাহিনি বিশ্বজুড়ে প্রচলিত রয়েছে দেখা যাক।

চিনে কোন বিশ্বাস প্রচলিত?
চিন, ইন্দোনেশিয়া, মঙ্গোলিয়া বা সাইবেরিয়ায় মনে করা হয় সূর্যগ্রহণের সময় কোনও কাল্পনিক চরিত্র গিয়ে সূর্যকে গ্রাস করতেই সূর্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এমন বিশ্বাসে বশবর্তী হয়ে বহু আচার আচরণ পালন করে চিন ও তার সংলগ্ন এলাকা।

জিভ পুড়ে যাওয়ার কাহিনি
এদিকে, ইন্দোনেশিয়া পলিনেশিয়ার মানুষ বিশ্বাস করেন যে রাহুই সূর্যকে গ্রাস করতে শুরু করেছে। তবে এই গ্রাসের সময় রাহু নিজের জিভ পুড়িয়ে ফেলেছে বলে বিশ্বাস করেন এঁরা। আর জিভ পুড়ে যাওয়ার কারণে রাহু সূর্যকে গ্রাস মুক্ত করে দেয় বলে বিশ্বাস প্রচলিত এখানে।

আরমেনিয়া ও ট্রান্সেলভেনিয়ায় কোন কাহিনি প্রচলিত?
আরমেনিয়া ও ট্রান্সেলভেনিয়ায় যে সমস্ত পল্লীকথা প্রচলিত রয়েছে যে তাতে বলা হয়, সূর্যগ্রহণের নেপথ্যে রয়েছে সূর্যের রাগ , অভিমান। মানুষের কর্মকাণ্ডের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এভাবে সে রুদ্র মূর্তি ধারণ করে। নিজেকে রাগের বশে ঢেকে নেয় সূর্য। এমনই বিশ্বাস সেখানে প্রচলিত রয়েছে।

সূর্যগ্রহণ ও প্রেম কাহিনি!
অস্ট্রেলিয়ার পৌরাণিক নানান গল্প বলছে,সূর্যকে সেখানে মহিলা হিসাবে দেখা হত। সেখানে চাঁদ আবার পুরুষ। ফলে সূর্যগ্রহণকে পুরুষ মহিলার প্রেম হিসাবে দেখা হয়। কোথাও আবার এটিকে পুরুষ মহিলার ঘনিষ্ঠতা হিসাবেও দেখা হয়।

সূর্য ও চাঁদের বিয়ে
জার্মানিতে বহু পৌরাণিক মতে বিশ্বাস করা হয়, সূর্য আর চাঁদের বিয়ের দিন গ্রহণ হয়। সেই দিন অগ্নিগর্ভ থাকে সূর্য ও চাঁদ ঠান্ডা মাথায় এগিয়ে আসে সূর্যের দিকে। তারপর তাদের মিল ন হয় বলে বিশ্বাস রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications