লিবিয়ার কাছে নৌকাডুবি! ইউরোপে ঢোকার বিপদসঙ্কুল পথে কমপক্ষে ৭৩ জন পরিযায়ীর মৃত্যু
লক্ষ্য ইউরোপে গিয়ে একটু ভাল জীবনযাপন। পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই। সেইপথ যে কতটা বিপদসঙ্কুল তা জানেন যাঁরা সেই পথে ইউরোপে পৌঁছতে পেরেছেন তাঁরাই। আবার অনেকে পৌঁছতে তো পারেননি, পথেই মৃত্যু হয়েছে তাঁদের।
প্রতিবছর বাংলাদেশ-সহ তৃতীয় বিশ্বের হাজার হাজার কর্মহীন মানুষ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রোজগারের আশায় বেরিয়ে পড়েন। তবে তাঁদের যাত্রাপথ যথেষ্টই বিপদসঙ্কুল। সেরকমই এক বিপদসঙ্কুল পথে মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৭৩ জন পরিযায়ীর। এটাই পরিযায়ীদের নিয়ে সর্বশেষ ট্র্যাজেডি বলেই জানানো হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের অভিবাসন সংস্থার তরফে।

১১ টি মৃতদেহ উদ্ধার
রাষ্ট্রসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন-এর তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের ওই ঘটনায় ১১ টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৮০ জন পরিযায়ীকে নিয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলী থেকে প্রায় ৮০ কিমি দূরের কাসর আল খায়ের থেকে একটি নৌকো রওনা দেয়। সেই নৌকোর হন্ব্য ছিল ইউরোপের উপকূল। সাতজন সাঁতরে লিবিয়ার উপকূলে পৌঁছন। তাঁদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

ইউরোপে প্রবেশের ট্রানজিট রুট লিবিয়া
সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি থেকে বিনা পাসপোর্টে ইউরোপে ঢোকার পথ হল উত্তাল ভূমধ্যসাগর। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে প্রবেশের ট্রানজিট রুট হল লিবিয়া। পরিযায়ীদের নিয়ে রবারের নৌকাগুলি বিপদসঙ্কুল সমুদ্রে পথে ইউরোপে রওনা হয়। সেই যাত্রা পথে প্রতিবছরেই দুর্ঘটনা ঘটে। তারপরেই উন্নত জীবনযাপনের আশায় বিশেষ করে বেকার যুবকরা ইউরোপে পাড়ি দেন। সেখানে গিয়ে হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্টে হেল্পারের কাজে লেগে পড়েন। আর কারও যদি পরিচিত কেউ আগে থেকেই সেখানে থেকে থাকেন, আর তিনি যদি সাহায্য করেন, তাহলে সেই পরিযায়ী একটু বেশিই সাহায্য পেয়ে থাকেন।

ভূমধ্যসাগরে সর্বশেষ ট্র্যাজেডি
মঙ্গলবারের ঘটনা ভূমধ্যসাগরে সর্বশেষ ট্র্যাজেডি। বর্তমান বছরে এই পথে মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৩০। রাষ্ট্রসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন-এর দেওয়া তথ্য অনুসারে ২০২২-এর অন্তত ১৪৫০ জন পরিযায়ীর মৃত্যু হয়েছিল।
গত বছর শুধুমাত্র লিবিয়ার উপকূলেই কমপক্ষে ৫২৯ জন পরিযায়ীর মৃত্যু হয় এবং ৮৪৮ জন নিখোঁজ হয়ে যান। সেখানে কমপক্ষে ২৪৬৮০জনকে আটকও করা হয়েছিল। এঁদের পরে নিজের নিজের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নিরাপদ অভিবাসনের পথের দাবি
রাষ্ট্রসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন-এর তরফে ইউরোপের সরকারগুলির প্রতি নিরাপদ অভিবাসনের দাবি তোলা হয়েছে। পাশাপাশি এর জন্য নিরাপদ প্রবেশ পথের ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।
অন্যদিকে ইউরোপের দেশগুলি সাম্প্রতিক সময়ে লিবিয়ার পাশাপাশি নিজের নিদের দেশের উপকূলরক্ষীদের এইসব পরিযায়ীদের সেইসব দেশে ঢুকতে বাধা দিতে চাপ তৈরি করেছে। তারপরেও কাজের কাজ যে কিছুই হয়নি, তা মঙ্গলবারের ঘটনা থেকেই পরিষ্কার।
প্রতীকী ছবি
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications