Bangladesh:' মা আর রাজনীতিতে ফিরবে না', পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা টেনে কী বার্তা দিলেন হাসিনার ছেলে
দেশান্তরি হয়েছে মা। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে এক কথায় বাধ্য হয়েই পদত্যাগ করতে হয়েছে তাঁকে। যে বাংলাদেশকে সুশৃঙ্খল করতে এতো পরিশ্রম করেছেন হাসিনা। তাঁকেই এভাবে পদ ছাড়তে হল। অভিমানী ছেলে সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর মা শেখ হাসিনা আর রাজনীতিতে ফিরবেন না।
হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, যাঁর পদত্যাগের দাবিতে এতো আন্দোলন তিনি পদত্যাগ করেছেন এবার কী? বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল অনির্বাচিত সরকার এক মিনিটের জন্য সরকারে থাকতে পারবে না। তাহলে কীভাবে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হচ্ছে। নির্বাচিত সরকার ছাড়া কোনও ভাবেই এটা হতে পারে না। এটা হলে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও পার্থক্য থাকবে না। আবার সেই স্বাধীনতার আগের পর্যায়ে ফিরে যেতে হবে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশ ছেড়ে বায়ুসেনার কপ্টারে বোন রেহানাকে নিয়ে ভারতে রয়েছেন হাসিনা। গাজিয়াবাদের হিন্ডন এয়ারবেসে রয়েছে তাঁর বিমান। বায়ুসেনার মালবাহী বিমানে তিনি ভারতে পৌঁছন। বাংলাদেশ কিন্তু সেখানে এখনও শান্তি ফিরে আসেনি। সেনা শাসন বাংলাদেশে কার্যকর হওয়ার পরেও একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের সেনা প্রধান সাংবাদিক বৈঠক করে বার্তা দিয়েছিলেন সব দায়িত্ব তিনি নেবেন। আর পুলিশ সেনা কেউ গুলি চালাবে না।
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আওয়ামি লিগ ছাডা সব রাজনৈতিক দলগুলিতে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে। সেই সরকারি নির্বাচিত সরকার হবে না। যা স্বাধীন বাংলাদেশের নজির বিহীন ঘটনা হতে চলেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে সেনাশাসন হবে সেটাও নজির বিহীন এর আগে কখনও তা ঘটেনি। সেদিকেই আঙুল তুলেছেন শেখ হাসিনার ছেলে সাজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন বাংলাদেশ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। যাঁরা হাসিনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন বলে তাঁরা কীভাবে অনির্বাচিত সরকারকে মেনে নেবেন। পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশেরক তাহলে আর কোনও ফারাক থাকবে না বলেও সরব হয়েছেন তিনি।
হাসিনা দেশ ছাড়লেও অশান্তি কিন্তু থামছে না বাংলাদেশে। একাধিক জায়গায় আওয়ামি লিগের দফতরে অগ্নিসংযোগ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে চলেছে। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষোভকারীরা। ১৫ বছরের হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে পাক যোগ দেখছে আন্তর্জাতিক মহল।
ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন হাসিনা। কিন্তু ব্রিটেন সরকার তার অনুমতি দেয়নি। তাই ভারতেই কয়েকদিন তিনি থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভারতের জাতিয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী বাংলাদে্শের পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বিদেশ সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications