Bangladesh: 'ওদের হেলিকপ্টার থেকে গুলি করো', ফোনে আর কী বলছেন হাসিনা? বিস্ফোরক গোপন অডিও পিনাকীর হাতে?
Bangladesh: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ ফাঁস! গত কয়েকদিন আগেই তাঁর ফোনের কল রেকর্ড আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন হাতে পেয়েছে বলে দাবি করে প্রসিকিউটররা। যেখানে দেশ ছাড়ার আগে কাকে ফোন করেছিলেন কি নির্দেশ দিয়েছিলেন সমস্ত কথাবার্তা আছে বলেও দাবি করেন সে দেশের প্রসিকিউটররা।
যা নিয়ে তীব্র আলোচনা হয় ওপার বাংলাজুড়ে (Bangladesh) । সেই রেশ কাটতে না কাটতেই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ অডিও হাতে রয়েছে।

শুধু তাই নয়, লেখক নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টও করেছেন। শুধু তাই নয়, এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য। আর তা সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি সে দেশে। ফোনের অডিও'তে শেখ হাসিনাকে কি বলতে শোনা যাচ্ছে?
কী বলছেন এই অ্যাক্টিভিস্ট? বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম 'কালের কন্ঠে' প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পিনাকী বলছেন, তাঁর হাতে আসা ওই অডিওতে শোনা যাচ্ছে আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার থেকে বিক্ষোভকারীদের ওপর শেখ হাসিনা গুলি করার নির্দেশ দিচ্ছেন। এই সংক্রান্ত পোস্টে তিনি লিখছেন,'''আকাশের হেলিকপ্টার থেকে প্রাণঘাতী অস্ত্র থেকে বিক্ষোভকারীদের গুলি করার শেখ হাসিনার নিজের মুখে দেওয়া অডিও নির্দেশ এখন আমাদের হাতে''।
যদিও তা সামনে আনবেন কিনা তা স্পষ্ট ভাবে জানাননি লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য। বলে রাখা প্রয়োজন, জুলাই-অগাস্ট মাসে কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। দলে দলে মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগটাই ছিল ছাত্র সমাজ। আর সেই আন্দোলনকে একেবারে কড়া হাতে দমন করার চেষ্টা করেন মুজিবকন্যা। আন্দোলনকারীদের উপর একেবারে নির্বিচারে গুলি চালায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সঠিক তথ্য সামনে না আসলেও দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে প্রায় ১০০০ জনেরও বেশি আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছিল। যার মধ্যে বেশির ভাগটাই ছিল ছাত্র। আর এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কোটা বাতিলের দাবিতে হওয়া আন্দোলন ঘুরে যায়। শুধু তাই নয়, হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে দলে দলে মানুষ ঢাকার দিকে এগোতে শুরু করে। এই অবস্থায় প্রাণে বাঁচতে হাসিনা প্রধানম্নন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন।












Click it and Unblock the Notifications