Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

'সরকারই আমার ভাইকে খুন করেছে'! কেন এমন মন্তব্য করলেন শরিফ ওমর হাদি? জানুন

বাংলাদেশে ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির খুনের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাল শুরু হয়েছে। নিহতের ভাই শরিফ ওমর হাদি সরাসরি সরকারের একাংশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নষ্ট করার জন্যেই পরিকল্পিতভাবে এই খুন করা হয়েছে।

ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের ডাকে আয়োজিত 'শহিদি শপথ' কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন যে, "সরকারের ভেতরে এক চক্রই আমার ভাইকে খুন করেছে। এখন এই ঘটনাকে হাতিয়ার করেই নির্বাচন ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করা চলছে।"

তিনি আরও জানান যে, ওসমান হাদি চাইতেন আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হোক। সেই সঙ্গে তিনি, ভোটের পরিবেশ কোনওভাবে নষ্ট হোক, এমন কাজের বিরোধী ছিলেন।

সরকারের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে ওমর হাদি বলেন যে, তাড়াতাড়ি খুনিদের বিচার করা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যাবে। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাটি ঘটার এতদিন পরেও তদন্তের কোনও অগ্রগতি হয়নি।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, "ন্যায়বিচার না হলে একদিন আপনাদেরও দেশ ছাড়তে হবে।" পাশাপাশি তাঁর দাবি যে, কোনও সংস্থার কাছে মাথা না নোয়ানোর কারণেই ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে।

এদিনের সভাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরও সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। তিনি জানান যে, খুনিদের চিহ্নিত এবং গ্রেপ্তারের জন্য সরকারকে ৩০ কর্মদিবস সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যদি কোনও পদক্ষেপ নেওয়া না হয় তাহলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন শরীফ ওসমান হাদি। তিনি হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া গণ আন্দোলনের এবং বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম মুখপাত্র ও প্রধান মুখ। ১২ই ফেব্রিয়ারি ঢাকা-8 কেন্দ্র থেকে তিনি বাংলাদেশ নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবেও লড়তেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঠিক ৬ দিন পরই অর্থাৎ ১৮ই ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে তিনি মৃত্যু বরণ করলেন।

তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভ শুরু হয় বাংলাদেশে। রেহাই পাননি সেখানকার সাংবাদিকেরাও। তারপর বাংলাদেশের দুই সংবাদপত্র অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। 'প্রথম আলো' এবং 'দ্য ডেলি স্টার'-এর দফতরে প্রথমে ভাঙচুর হয় তারপরেই ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

শাহবাগ-সহ একাধিক এলাকায় মানুষ রাস্তায় নেমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি তুলছেন। খুনের তদন্ত এবং নির্বাচনম দু'টিকেই ঘিরে এখন তপ্ত বাংলাদেশের রাজনীতি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+