লকডাউনের পর থেকেই নিউজিল্যান্ডে তিনগুণ বেড়েছে সেক্স টয় বিক্রি
লকডাউনের পর থেকেই নিউজিল্যান্ডে তিনগুণ বেড়েছে সেক্স টয় বিক্রি
টয়লেট পেপার বা আটা মজুত রাখার বিষয়ে নিউজিল্যান্ডবাসীকে সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু সেক্স টয়ের বিষয়ে নয়। সেক্স টয়ের দেশের বৃহত্তম খুচরো বিক্রেতা অনুযায়ী, দেশের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডেনের ঘোষণা করা একমাসেরও বেশি লকডাউনের সময় সেক্স টয়ের বিক্রি তিনগুণ বেড়েছে।

তিনগুণ বেড়েছে সেক্স টয়ের বিক্রি
১৫ দিন আগে শুরু হওয়া এই লকডাউনে নিউজিল্যান্ডবাসী কেবল জরুরি পণ্য কিনতে ও হাঁটতে যাওয়ার অনুমতি মিলেছে। এই লকডাউন আরও দু'সপ্তাহ ব্যাপী স্থায়ী থাকবে। এই পরিস্থিতিতে পরিবার পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে বিভিন্ন ধরণের জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি হ্রাস পাচ্ছে। ২৫ মার্চ এই লকডাউন কার্যকর করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেক্স টয়ের বিক্রী তিনগুণ বেড়ে যায়। নিউজিল্যান্ডের সংস্থা অ্যাডাল্ট টয় মেগাস্টোরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে বাড়ির ভেতর বাসিন্দারা যাতে বিরক্ত না হয় তার জন্যই এই টয়ের বিক্রি বেড়ে গিয়েছে এবং অনেকেই রয়েছেন যাঁরা এ ধরনের প্রাপ্তবয়স্কদের খেলনা আগে কখনও ব্যবহার করেননি।

অনেকেই প্রথমবার সেক্স টয় কিনছেন
এই সেক্স টয় ব্যবসার মুখপাত্র এমিলি রাইটস বলেন, ‘যাঁরা প্রথমবার সেক্স টয় ব্যবহার করছেন আমরা প্রচুর এ ধরনের টয় বিক্রি করেছি। আমাদের প্রথমবার ব্যবহার করছেন এমন সেক্স টয়গুলি বেশ জনপ্রিয়।' তিনি আরও বলেন, ‘এটা এরকম যে মানুষ বলছে এখন সময় পেয়েছি, নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।' অন্যান্য বিক্রির মধ্যে কন্ডোম, লুব্রিকান্ট ও পিরিয়ডস কাপের চাহিদাও বেশ তুঙ্গে ছিল যবে থেকে প্রধানমন্ত্রী লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও এর পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক বোর্ড গেমস এবং সেক্স টয় ক্লিনারের বিক্রিও বেড়েছে।

তিন দেশে সেক্স টয়ের রমরমা বিক্রি
অ্যাডাল্ট টয় মেগাস্টোর জানিয়েছে, শিশুদের অভিভাবকরা নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য এই সেক্স টয় কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ১১ মার্চ হু করোনা ভাইরাসকে মহামারি ঘোষণা করার নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনে সেক্স টয়ের বিক্রি তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে। অন্যদিকে ২২ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন পানশালা বন্ধের ঘোষণার পরই এই টয় বিক্রি দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং একই বিষয় দেখা দেয় ব্রিটেনেও। ২১ মার্চ বরিস জনসন লকডাউন ঘোষণার পর সেক্স টয়ের বিক্রি বেড়ে যায়।

মানুষের এখন কোথাও যাওয়ার নেই
এমিলি রাইটস বলেন, ‘সব মানুষই এখন সেক্স টয় কেনার দিকেই ঝোঁক বাড়িয়েছে। তাঁরা হয়ত ভাবছেন যে আমরা পানশালায় যেতে পারব না, ডেটে যেতে পারব না।' প্রসঙ্গত অ্যাডাল্ট টয় মেগাস্টোরকে নিউজিল্যান্ডের সরকার একটি অপরিহার্য পরিষেবা বলে মনে করেছিল এবং শাটডাউন চলাকালীন তা খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কারণ এটি কন্ডম এবং মেডিক্যাল পণ্য বিক্রি করে। সমস্ত কর্মী বাড়ি থেকে বসে কাজ করছেন।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications