Donald Trump: ব্যাকফুটে ট্রাম্প! জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার বিলোপে স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের
Donald Trump: ফের ধাক্কা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার (Birthright US Citizenship) বন্ধের নির্বাহী নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এবার সেই সিদ্ধান্তে দ্বিতীয়বার স্থগিতাদেশ (Temporary Pause) দিলেন মার্কিন ফেডারেল কোর্টের বিচারক। ডিস্ট্রিক্ট জজ ডেবোরা বোর্ডম্যান জানান, ১৪ তম সংশোধনীতে ট্রাম্প সরকারের আনা এসংক্রান্ত বদলে সায় দেয়নি দেশের কোনও আদালত।
মেরিল্যান্ডের ফেডেরাল কোর্টের (Federal Court) বিচারকের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে। ট্রাম্পের ওই সিদ্ধান্তে আপাতত ১৪ দিনের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারক জন কফেনার ট্রাম্পের নির্দেশকে অসাংবিধানিক (Unconstitutional) বলেও ব্যাখ্যা করেন। ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটনে আলাদা একটি মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল ট্রাম্পের ওই নির্দেশে।

সব মিলিয়ে মোট ২২টি স্টেট, বিভিন্ন সংগঠন ট্রাম্পের নির্বাহী নির্দেশ (Executive Order) আটকাতে মামলা করে। বুধবার মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টের ফেডারেল কোর্টে শুনানি শেষে ফের স্থগিতাদেশ আরোপের সিদ্ধান্ত নেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden) মনোনীত বিচারক বোর্ডম্যান।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার আমেরিকার গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি বলে উল্লেখ করা হয় মামলার আবেদনপত্রে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের সওয়াল, বিদেশি নাগরিকদের সন্তান আমেরিকায় জন্মালে তারা আমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকারী নন। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
সাংবাদিকদের তিনি সাফ জানান, কর্মসূত্রে যে সমস্ত অভিবাসী আমেরিকায় রয়েছেন, তাঁদের সন্তানের জন্ম যদি আমেরিকায় হয়, তাহলে পুরোনো আইন মোতাবেক তারা আর মার্কিন নাগরিকত্ব (US Citizenship) পাবেন না। বাবা বা মায়ের একজনও গ্রিন কার্ডধারী হলেও মিলবে না নাগরিকত্বের সুযোগ।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার প্রদানকারী ৩০টি দেশের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। কানাডা, মেক্সিকোও রয়েছে সেই তালিকায়। মসনদে বসে প্রথম সপ্তাহেই অভিবাসন (Immigration) সংক্রান্ত ১০টি নির্বাহী নির্দেশে সই করেন ট্রাম্প। অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহ সীমান্তে আরও জোরদার নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। কিছু নির্দেশনামা লাগু হয়ে গেলেও বাকিগুলি নিয়ে এখনও চলছে আইনি লড়াই।












Click it and Unblock the Notifications