মঙ্গলে কি প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা? নতুন আবিষ্কারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত
মঙ্গলে কি প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা? নতুন আবিষ্কারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত
পৃথিবীর বাইরে কি কোনও জীবন রয়েছে? বিজ্ঞানীরা ভিনগ্রহে জীবনের অনুসন্ধান করেই চলেছেন নিরন্তর। সেজন্য মানুষ মঙ্গল গ্রহে নিয়ে গিয়েছে তাদের অনুসন্ধান প্রক্রিয়া। পৃথিবী থেকেই গবেষণায় নতুন আবিষ্কার একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। লাল গ্রহে কিউরিওসিটি রোভার ট্রন্ডলিং করে দেখা মিলেছে নতুন সম্ভাবনার।

লালগ্রহে প্রাণ, চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
লাল গ্রহে কিউরিওসিটি রোভার ট্রন্ডলিং করে বেশ কয়েকটি নমুনা পাওয়া গিয়েছে। ওই নমুনা এক ধরনের কার্বন সমৃদ্ধ, যা পৃথিবীতে জৈবিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। যদিও এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয় যে, লালগ্রহে জীবন রয়েছে। তবে এটি আকর্ষণীয় একটি আপডেট, কারণ বিজ্ঞানীরা এখনও সে অর্থে প্রাচীন বা বর্তমান জীববিজ্ঞানের সমর্থনকারী প্রমাণ খুঁজে পাননি।

মঙ্গল গ্রহে আবিষ্কার ও সম্ভাবনা
ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস জার্নালে প্রসিডিংস অফ দ্য প্রোসিডিংস-এ প্রকাশিত হয়েছে একটি গবেষণা রিপোর্ট। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে অস্বাভাবিক কার্বন সংকেতগুলির শনাক্ত করার কথা। গবেষকরা জানান, "আমরা মঙ্গল গ্রহে এমন কিছু খুঁজে পাচ্ছি যেগুলি আকর্ষণীয়, তবে আমরা জীবনকে চিহ্নিত করেছি তা বলার জন্য আদর্শ প্রমাণ নয়।

কার্বন সংকেতটি যদি জীবন না হয়, কী
গবেষকরা এখন পরীক্ষা করে দেখছেন, কার্বন সংকেতটি যদি জীবন না হয়, তাহলে আর কী হতে পারে। পল মাহাফি কিউরিওসিটিতে মঙ্গল গ্রহের রসায়ন গবেষণাগারের নমুনা বিশ্লেষণের প্রধান, তিনি এই গবেষণার কাজ করছেন। বিজ্ঞানীরা যখন ফলাফলগুলি ব্যাখ্যা করেন, তারা এও সতর্ক করেন যে দুটি গ্রহ এতই আলাদা যে তাঁরা পৃথিবীর উদাহরণের উপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

মঙ্গলের শিলায় স্বতন্ত্র কার্বনের সংরক্ষণ
পৃথিবীর জীবন দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বিজ্ঞানীরা বলেন, প্রাচীন ব্যাকটেরিয়া জড়িত একটি অনন্য কার্বনের নমুনা। এই নমুনা বায়ুমণ্ডলে মিথেন ছেড়ে দেয়. যেখানে অতিবেগুনী আলো সেই গ্যাসটিকে আরও বড়, আরও জটিল অণুতে রূপান্তরিত করে। এই অণুগুলি ভূপৃষ্ঠে নেমে মঙ্গলের শিলায় তাদের স্বতন্ত্র কার্বনের সংরক্ষণ করতে পারে।

নাসা বলেছে কার্বন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ
এদিকে গবেষকদের আরেকটি অনুমান প্রস্তাব করে যে, কার্বন নমুনাটি মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের সঙ্গে অতিবেগুনী রশ্মির মিথস্ক্রিয়া থেকে হতে পারে। তা নতুন কার্বন-ধারণকারী অণু তৈরি করে পৃষ্ঠে বসতি স্থাপন করবে। নাসা বলেছে যে কার্বন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই উপাদানটি পৃথিবীর সমস্ত প্রাণেই পাওয়া যায়। এটি একটি চক্রে বায়ু, জল এবং মাটির মধ্য দিয়ে ক্রমাগত প্রবাহিত হয় যা আইসোটোপ পরিমাপের জন্য ভালভাবে বোঝা যায়। মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠের উপাদানগুলি বিশ্লেষণ করতে বিজ্ঞানীরা ল্যাবের ভিতরে টুনাবেল লেজার স্পেকটোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications