গলায় জড়ানো বেল্ট, উদ্ধার হল Sputnic V ভ্যাকসিনের আবিষ্কর্তার দেহ
ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে সে সময়ে একাধিক মানুষকে বাঁচানোর কাজে নামেন তিনি। তবে তাঁর মৃত্যু যে একদিন এভাবে হবে তা কল্পনার অতীত ছিল। যদিও বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বলেই খবর
Russian Scientist Andrey Botikov: করোনার ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি-এর আবিষ্কর্তার দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। মস্কোর একটি ফ্ল্যাটে ওই বিজ্ঞানীর মৃতদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। মৃত ওই গবেষকের নাম Andrey Botikov (Scientist ) বলে জানা গিয়েছে। তিনি স্কুটনিক ভ্যাকসিন তৈরির কাজে যে ১৮ জন বিজ্ঞানী ছিলেন তাঁদের মধ্যেই একজন ছিলেন Andrey।

ফলে হঠাত করে ওই গবেষকের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক ধোঁয়াশা। মৃত্যু কি স্বাভাবিক নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য তা জানার চেষ্টা করছেন সে দেশের তদন্তকারী আধিকারিকরা।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত দুই মার্চ মস্কোতে Andrey Botikov- এর রোগোভা স্ট্রিটের বাড়ি থেকে নিথর দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারনা, বিজ্ঞানীকে বেল্ট দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিজ্ঞানীর ঘর থেকে বেল্ট রাশিয়ান পুলিশের আধিকারিকরা উদ্ধার করেছেন বলেই জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যে সেটিকে ফরেন্সিকের জন্যে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বিজ্ঞানীর সঙ্গে এক ব্যক্তির গত কয়েকদিন আগে একটি ঝামেলা হয়।
এই ঘটনার সঙ্গে ওই ব্যক্তির যোগ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। রাশিয়ান ফেডারেশনের একটি তদন্ত কমিটির তথ্য অনুযায়ী, গবেষকের ফ্ল্যাটেই মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয় Andrey Botikov । এই ঘটনায় ইতিমধ্যে এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলেও তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। তবে সে কে তদন্তের স্বার্থে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে দফায় দফগায় ওই ব্যক্তিকে জেরা করা হচ্ছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, ৪৭ বছর বয়সের অ্যান্দ্র সে দেশের ন্যাশানাল রিসার্চ সেন্টার ফর এপিডেমিওলজি ও মাইক্রোবায়োলজিতে বর্ষীয়ান গবেষক হিসেবে কাজ করছিলেন। এছাড়াও ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি সহ একাধিক ল্যাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওই গবেষক। আর তাঁরই মৃতদেহ উদ্ধ্যার ঘিরে সে দেশে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় রাশিয়ার প্রশাসনের তরফে একেবারে কড়া মনিটারিং করা হচ্ছে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত দুবছর আগে করোনার সংক্রমণ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তা থেকে বাঁচতে গোটা বিশ্বই একটা প্রতিষেধক চাইছিল। যদিও গোটা দেশ ভ্যাকসিন তৈরির কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেখানে প্রথম পথ দেখিয়েছিল রাশিয়া। স্পুটনিক ভি এনে বিশ্বকে স্বস্তির বার্তা দিয়েছিলেন সে দেশের বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications