ভয়ঙ্কর বন্যায় পাকিস্তানের ১০০ কিমি জুড়ে তৈরি হয়েছে হ্রদ! ফাঁস স্যাটেলাইট ছবিতে
ভয়াবহ বন্যার কবলে পাকিস্তান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সে দেশের ইতিহাসে এমন বন্যার কথা বলা হয়নি। দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা একেবারে তলিয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ চলে গিয়েছে। কয়েক হাজার গবাদী পশু'র মৃত্য
ভয়াবহ বন্যার কবলে পাকিস্তান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সে দেশের ইতিহাসে এমন বন্যার কথা বলা হয়নি। দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা একেবারে তলিয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ চলে গিয়েছে। কয়েক হাজার গবাদী পশু'র মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত। আর এই মধ্যেই ভয়াবহ একটি স্যাটেলাইট ছবি সামনে এসেছে।
যা দেখে রীতিমত চমকে উঠছেন বিশেষজ্ঞরা। এই মুহূর্তে পয়াকিস্তানের অবস্থা কি তা কার্যত আন্দাজ করতে পারছেন অনেকেই। স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানে বন্যার কারণে ১০০ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি হ্রদ তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে ভয়ঙ্কর অবস্থার কারণে লাহোর এবং পাঞ্জাব প্রদেশের অন্যান্য অংশে বিভিন্ন শাকসবজি এবং ফলের দামের ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। তাই পাকিস্তান সরকার ভারতের থেকে টমেটো এবং পেঁয়াজ আমদানি করতে পারে।

১০০ কিমি জায়গা জুড়ে হ্রদ!
NASA এর MODIS স্যাটেলাইট গত 28 আগস্ট একটি ছবি প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে একেবারে উত্তাল সিন্ধু নদ কীভাবে সে দেশের দক্ষিণাংশকে একেবারে ভাসিয়ে দিয়েছে। যতদূর পর্যন্ত ছবি দেখা যাচ্ছে গাঢ় নীল রঙ দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভয়াবহ বন্যার কারণে ১০০ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। যেটি সিন্ধুতে বন্যার কারণে গঠিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কৃষকরা এই এলাকায় ফসল ফলাতেন, যা এখন বিশাল লেকে পরিণত হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব সেটাই এখন চ্যালেঞ্জের পাকিস্তানের কাছে।

পাকিস্তানের ইতিহাসে উষ্ণতম বছর
পাকিস্তান আবহাওয়া দফতরের মতে, 1961 সালে রেকর্ড শুরু হওয়ার পর থেকে এই বছর সে দেশের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর। উদ্বেগের বিষয় হল গ্রীষ্মের পরিস্থিতি যেতে এখনও এক মাস বাকি। সিন্ধু ও বেলুচিস্তান উভয় প্রদেশেই বৃষ্টিপাত গড়ের চেয়ে ৫০০% বেশি হয়েছে। ফলে ওই সমস্ত এলাকা একেবারে ভেসে গিয়েছে। নাঠের পর মাঠের ফসল একেবারে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, আগামীদিন পাকিস্তানের কাছে খুবই সঙ্কটের হতে চলেছে।

ভয়ঙ্কর বন্যায় কত ক্ষতি-
পাকিস্তানের প্রধান জাতীয় সংস্থা জাতীয় দুর্যোগ দফতরের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই বন্যায় 3,554 জন আহত হয়েছে এবং জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় 33 মিলিয়ন মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ভয়ঙ্কর এই বন্যার কারণে একের পর এক ঘর ভেঙে গিয়েছে। মানুষ অসহায় অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় বিশ্বের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে পাকিস্তান। এমনকি ভারতের কাছেও সাহায্যের আবেদন পাকিস্তানের।












Click it and Unblock the Notifications