আফগানিস্তান ইস্যুতে উদ্বেগে রাশিয়া! আলোচনা করতে মস্কোতে তালিবানদের ডাকলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন
প্রায় কয়েকমাস হয়ে গিয়েছে আফগানিস্তানের ক্ষমতা গিয়েছে তালিবানদের হাতে। ইতিমধ্যে সে দেশে সরকারও গঠন করেছে তাঁরা। একদিকে একের পর এক ফতোয়া অন্যদিকে নৃশংস অত্যাচারের সাক্ষী থাকছে বিশ্বের মানুষ। কখনও হেলিকপ্টারে করে মৃতদেহ আকা
প্রায় কয়েকমাস হয়ে গিয়েছে আফগানিস্তানের ক্ষমতা গিয়েছে তালিবানদের হাতে। ইতিমধ্যে সে দেশে সরকারও গঠন করেছে তাঁরা। একদিকে একের পর এক ফতোয়া অন্যদিকে নৃশংস অত্যাচারের সাক্ষী থাকছে বিশ্বের মানুষ। কখনও হেলিকপ্টারে করে মৃতদেহ আকাশে ওড়াচ্ছে আবার কখনও গুলি করে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে দেশ।

যদিও এই বিষয় নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে নারাজ বিশ্বের দেশগুলি। বরং তালিবানদের সমর্থনই করেছে চিন, পাকিস্তান সহ একাধিক দেশ। সেই তালিকাতে যদিও রয়েছে রাশিয়াও।
ইতিমধ্যে তালিবানদের পাশে রয়েছে রাশিয়া। এমনকি সরকার গঠনে চিন-পাকিস্তানের পাশাপাশি রাশিয়াকে পাশে চেয়েছিল তালিবানরা। যদিও এই পরিস্থিতিতে পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান ইস্যু নিয়ে আলোচনা চায় রাশিয়া।
আর সেই কারণে আন্তজার্তিক আলোচনা সভাতে তালিবানদের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা বলবে রাশিয়া। পুতিনের বিশেষ প্রতিনিধি এই সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য জানিয়েছেন। তবে এই বিষয়ে বিশেষ কিছু আর বলতে চাননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিশেষ ওই প্রতিনিধি।
চলতি মাস অর্থাৎ অক্টোবর ২০ তারিখ মস্কোতে এই সংক্রান্ত সম্মেলন বসার কথা রয়েছে। এই সম্মেলনে চিন, আমেরিকা সহ একাধিক দেশের থাকার কথা রয়েছে। থাকতে পারে ভারতও। প্রসঙ্গত চলতি বছরের মার্চ মাসে মস্কো আফগানিস্তান নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।
এতে আমেরিকা ছাড়াও চিন ও পাকিস্তান অংশ নেয়। আলোচনা শেষে যৌথ বিবৃতিতে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কথা বলা হয়। যদিও এই আলোচনার পরেই আফগামিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা সরানোর কথা বলে। আর এরপরেই ২০ বছরের যুদ্ধ শেষে আফগানিস্তানের মাটি থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে আমেরিকা।
তবে আফগানিস্তানে ফের একবার তালিবানদের উত্থান নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মস্কোর কপালেও। নতুন করে সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া দিতে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পরপরই রাশিয়া তাজিকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়।
তাজিকিস্তানে রাশিয়ার একাধিক সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে চিন্তা আরও বেড়েছে। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। তবে আফগানিস্তান নিয়ে আরও আলোচনা চায় রাশিয়া। আর সেই কারনেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications