মার্কিন MQ-9 ড্রোনের দিকে ধেয়ে আসছে রাশিয়ান Su-27! রইল রোমহর্ষক সেই মুহূর্ত
আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। আর এর মধ্যেই গত কয়েকদিন আগে কৃষ্ণ সাগরের উপর আমেরিকার উন্নত রিপার ড্রোনের উপর হামলা চালায় রাশিয়ার সুখোই যুদ্ধবিমান। ঘটনার পরেই মার্কিন সেনাবাহিনীর তরফে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, MQ-9 নজরদারি ড্রোনটি আন্তর্জাতিক আকাশসীমা দিয়ে উড়ছিল।

আর সেই সময়ে আন্তর্জাতিক আইন ভেঙেই দুটি রাশিয়ান ফাইটার জেট সেটিকে ধ্বংস করে। যা নিয়ে দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আর এর মধ্যেই মার্কিন সেনাবাহিনী একটি ভিডিও জারি করেছে। ভিডিওটি রিপারে ইনস্টল করা হাই-টেক নজরদারি ক্যামেরা থেকে নেওয়া হয়েছে। যেখানে দুটি Su-27 যুদ্ধবিমানকে দেখা যাচ্ছে। যেটির মধ্যে একটি দ্রুত গতিতে ড্রোনটির দিকে ছুটে আসছে। মার্কিন বাহিনীর তরফে দেওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কিভাবে দুটি রাশিয়ান সুখই-27 এই রিপার ড্রোনটিকে ঘিরে রেখেছে।
শুধু তাই নয়, সেটিকে কৃষ্ণ সাগরে কীভাবে ধ্বংস করা হল সেই ভিডিও ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।
মাত্র ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ধরা পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে রাশিয়ান যুদ্ধবিমান Sukhoi-27 MQ-9 ড্রোনের পিছনে ছিল। আর সেই কারণে উপর দিয়ে এসে ড্রোনটির উপর জ্বালানি ছাড়তে বিশেষ সুবিধা পায়। দাবি মার্কিন বাহিনীর। আমেরিকার দাবি, রাশিয়ান যুদ্ধবিমানগুলি বিপদজ্জনক ভাবে উড়ছিল।
শুধু তাই নয়, বাহিনীর মধ্যে কোনও পেশাদারিত্ব পর্যন্ত ছিল না এমনকি MQ-9 এর উপর একাধিকবার যুদ্ধবিমানগুলি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে যে সেটিকে ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল তা স্পষ্ট বলেও দাবি মার্কিন বাহিনীর।
VIDEO: Two #Russian Su-27s conducted an unsafe & unprofessional intercept w/a @usairforce intelligence, surveillance & reconnaissance unmanned MQ-9 operating w/i international airspace over the #BlackSea March 14. https://t.co/gMbKYNtIeQ @HQUSAFEAFAF @DeptofDefense @NATO pic.twitter.com/LB3BzqkBpY
— U.S. European Command (@US_EUCOM) March 16, 2023
বলে রাখা প্রয়োজন, ড্রোনটিতে রিয়েল টাইম মনিটারিং সিস্টেম রয়েছে। আর সেই সিস্টেমের মাধ্যমে ড্রোনটি ধ্বংসের আগে সমস্ত ভিডিও পেন্টাগনের ল্যাব অব ইনফরমেটিক্সে পাঠিয়ে দিয়েছে। এমনটাই জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাশিয়া এবং আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, ভেঙে পড়া ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ খোঁজা চলছে। কারণ মার্কিন বাহিনী ওই ড্রোনের সাহায্যে দেশ তো বটেই, বহু ক্ষেত্রেই নজরদারি চালায়। ফলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই ড্রোনের ভিতরে থাকা ফাইল থেকে একাধিক গোপন তথ্য বের করা সম্ভব। ফলে রাশিয়ার কাছেওই মার্কিন ওই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আঘাত ভালো চোখে নেয়নি আমেরিকা। একাধিকবার কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। পালটা চুক্তি বাতিলের পথে হেঁটেছে রাশিয়া। যা নিয়ে প্রবল উত্তেজনা। আর এর মধ্যেই এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য।












Click it and Unblock the Notifications