রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন কি সবার আগে বাজারে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় জল্পনা
একদিকে ভারত তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার সংক্রমণ যেমন দ্রুতগতিতে বাড়ছে, অন্যদিকে ভ্যাকসিন বাজারে আনতেও কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন দেশ তথা সংস্থার মধ্যে।
একদিকে ভারত তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার সংক্রমণ যেমন দ্রুতগতিতে বাড়ছে, অন্যদিকে ভ্যাকসিন বাজারে আনতেও কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন দেশ তথা সংস্থার মধ্যে। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর সেখানকার তৈরি ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হবে ৩ অগাস্ট থেকে। তবে তৃতীয় পর্যায়ের ফলাফল আসার আগেই তা সাধারণের হাতে তুলে দিতে চলেছে সে দেশের সরকার।

৩ অগাস্ট থেকে শুরু তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল
রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের কাজ শুরু হবে ৩ অগাস্ট থেকেষ রাশিয়া ছাড়াও সৌদি আরব এবং আবর আমিরশাহীতে এই ট্রায়ালের কাজ শুরু করা হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের সঙ্গেই চলবে মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া
তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের সঙ্গেই রাশিয়ায় সাধারণ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে। এমনটাই জানিয়েছে সেদেশের সংবাদমাধ্যমগুলি।

বিদেশের বাজারেও রাশিয়ার ভ্যাকসিন
জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে রাশিয়া নিজের দেশে ৩ কোটি ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে। আর বিদেশে তৈরি হবে ১৭ কোটি ভ্যাকসিন। ইতিমধ্যেই বিশ্বের ৫ টি দেশ সেই ভ্যাকসিন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি বেশ কিছু দেশ চিন্তাভাবনা করছে। রাশিয়া দাবি করেছে, পশ্চিমি দেশগুলির তুলনায় তাদের দেশের ভ্যাকসিন উন্নতমানের, তারা এর প্রযুক্তি দিয়ে অন্য দেশগুলিকে সহায়তা করবে।

প্রমাণিত হয়েছে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা
সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লিনিকাল রিসার্চের প্রধান গবেষক এলিনা স্মলইয়ারচাক রাশিয়ার সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ করা হয়েছে। এর কার্যকারিতাও প্রমাণিত হয়েছে।
গামালেই সেন্টারের ডিরেক্টর অ্যালেক্সান্ডার জিন্টসবার্গ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তারা আশা করছেন ১২ থেকে ১৪ অগাস্টের মধ্যে ওই ভ্যাকসিন নাগরিকদের জন্য এসে পড়বে। তবে বেসরকারি সংস্থাগুলি এর উৎপাদন শুরু করবে সেপ্টেম্বর থেকে।

করোনা সংক্রমণে রাশিয়া
করোনায় রাশিয়ায় এখনও পর্যন্ত ৭ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের নিরিখে রাশিয়া বিশ্বের চতুর্থ দেশ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন ভ্যাকসিন তৈরিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications