‘তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে বন্দি করেছিল ইউক্রেন’, দাবি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের
‘তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে বন্দি করেছিল ইউক্রেন’, দাবি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের
প্রতি মুহূর্তে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে রাজধানী কিয়েভ। রাশিয়ার অগ্রাসনে ইউক্রেন। শূন্যপুরী হচ্ছে যুদ্ধবিধস্ত এলাকা। বাঁচার তাগিদে ইউক্রেনবাসী এক জায়গা থেকে ছুটে যাচ্ছে অন্য জায়গাতে। কত নারী, শিশু খিদে, তৃষ্ণাকে সহ্য করে দূরের পথ হাঁটছে, খোলা আকাশের নীচে বরফের তলাতে দাঁড়িয়েছে সহ্য করছে প্রচণ্ড শীত। শুধু একটু সাহায্যের জন্য। এখন ইউক্রেনবাসীর জন্য শুধুই নিদারুণ কষ্ট। যা সহ্য করা দুঃসাধ্য। এখনও অনেক ভারতীয় আটকে আছে ইউক্রেনে। তবে এবার ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রাশিয়া।

পুতিন কী বললেন
বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করে জানান, তিন হাজারের বেশি পড়ুয়াকে ইউক্রেনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। বিদেশিদের সরিয়ে নিতে দেরি করছে ইউক্রেন। সেই সঙ্গে তাঁদের ঝুঁকিতে ফেলছে। পুতিন কিন্তু ভারতের প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন।

অপারেশন গঙ্গা শুরু করেছে সরকার
এবার ইউক্রেন থেকে ভারতীয় নাগরিক থেকে পড়ুয়াদের দেশে ফিরিয়ে আনতে অপারেশন গঙ্গা শুরু করছে কেন্দ্র সরকার। প্রতিবেশী দেশ রোমানিয়া, হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ড থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে স্পেসিল বিমান মোতায়েন করা হচ্ছে।

বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে
বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয়কে ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং এখনও আরও পড়ুয়াদের ফিরিয়ে আনা চেষ্টা চলছে।

মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন
বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানান, সে সকল ভারতীয় এবং পড়ুয়ারা ইউক্রেনে এখনও আটকে আছে তাঁদের দু থেকে তিন দিনের মধ্যে বিশেষ বিমানে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের বিধানসভার নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁর সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার বারাণসীতে রয়েছেন। আজ ষষ্ঠদফার ভোট ছিল, ৭ তারিখ সপ্তম দফার ভোট, শেষ ভোট। তারই প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন মোদী। আর বারাণসীতেই দেখা করলেন ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী পড়ুয়াদের কথা বলার সময় আগের সরকারগুলোকে দোষ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ভারতীয় পড়ুয়াদের চিকিৎসা বিষয় পড়ার জন্য বিদেশে যেতে হত না। যদি আগে থেকে দেশে এরকম পড়ার সুব্যবস্থা থাকতো। তিনি আরও বলেন প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ করার জন্য সরকার কাজ করছে। ৭০ বছর আগে থেকে বর্তমানে ১০ বছরে আরও বেশি চিকিৎসক তৈরি হবে দেশে।












Click it and Unblock the Notifications